এখন থেকে ৪০ বছর আগে ১৯৮২ সালের ১৭ আগস্ট জার্মানিতে অবস্থিত ফিলিপসের একটি কারখানায় বিশ্বের প্রথম কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডির আত্মপ্রকাশ হয়। অ্যাবার দ্য ভিজিটরস গানের একটি কপিসহ সিডিটি বাজারে আসে। ফিলিপস ও সনির যৌথ উদ্যোগে সিডিটি মূলত ৬০ মিনিটের অডিও রেকর্ডের জন্য তৈরি করা হয়। ধীরে ধীরে রেকর্ডিং সক্ষমতা ৭৪ মিনিটে উন্নীত করা হয়। সিডি আবিষ্কারের পর সংগীতজগতে ডিজিটাল যুগ শুরু হয়। গত কয়েক বছরে সিডির বিপণন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার (আরআইএএ) তথ্যানুযায়ী, ২০০০ সালে বিক্রির ধুম চললেও যুক্তরাষ্ট্রে সিডি অ্যালবাম বিক্রি ৯৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। বর্তমানে বিক্রি ১৯৮৬ সালের পর থেকে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ২০০০ সালের শুরুতে ফাইলশেয়ারিং ও এমপিথ্রি প্লেয়ারের চল শুরু হলে সিডি বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে। স্মার্টফোনের যাত্রা এবং মিউজিক স্ট্রিমিং পরিষেবা সিডি খাতের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়। ২০২১ সালের শুরুতে অ্যাডেলে, টেইলর সুইফট ও বিটিএস সিডিতে তাদের গান বাজারজাতের মাধ্যমে এ খাতের পুনরুদ্ধারে আশার সঞ্চার করেছিল।
কমপ্যাক্ট ডিস্কের উত্থান-পতন
এখন থেকে ৪০ বছর আগে ১৯৮২ সালের ১৭ আগস্ট জার্মানিতে অবস্থিত ফিলিপসের একটি কারখানায় বিশ্বের প্রথম কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডির আত্মপ্রকাশ হয়। অ্যাবার দ্য ভিজিটরস গানের একটি কপিসহ সিডিটি বাজারে আসে।










