ইন্টারনেটের কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং নিষিদ্ধ বিষয়বস্তুর অনুসন্ধান বন্ধে টরের ওয়েবসাইট ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। খবর রয়টার্স।
চলতি বছর রাশিয়া সরকার বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্লাটফর্মে প্রকাশিত কনটেন্টের বিষয়ে চাপ প্রয়োগ শুরু করে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ও অন্যান্য অনলাইন টুলের ওপরও নজরদারি বাড়িয়েছে। সমালোচকদের ভাষ্য, ইন্টারনেটের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
দেশটির নিয়ন্ত্রক রসকমনাডজর জানায়, আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই টরের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানায়, টরের মাধ্যমে যে কেউ বেআইনি বিষয়বস্তু বা কনটেন্ট দেখার ও সেগুলো ব্যবহারের সুযোগ পেত। এখন থেকে এসব কনটেন্টে প্রবেশাধিকার সীমিত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রে দুই কম্পিউটার বিজ্ঞানী ২০০২ সালে টর চালু করেছিলেন। তারা জানান, টরের পরিষেবা বন্ধের ফলে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ রাশিয়াসহ সারা বিশ্বের সঙ্গে নিরাপদ যোগাযোগ স্থাপনে ব্যর্থ হবে।
ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের আইপি ঠিকানা আড়াল করার জন্য টর নামহীন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই টরের লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। শুধু রাশিয়াতেই এর তিন লাখ ব্যবহারকারী রয়েছেন। ওয়েবাসাইটে প্রবেশাধিকার যাচাইকারী রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান গ্লোবালচেক টরের কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এক ব্লগপোস্টে টর জানায়, ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে অনেক ইন্টারনেট পরিষেবা প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিচ্ছে। পাশাপাশি মিরর সাইটে প্রবেশের মাধ্যমে ব্লকটি চালু করার অনুরোধও জানিয়েছে।










