নিজেদের প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিয়ানশি উন্মোচন করেছে চীনের সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট বাইদু। যে কারো ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারটি প্রস্তুত। মূলত পরিষেবা খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতেই এ উদ্যোগ। খবর রয়টার্স।
এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, কিয়ানশি কোয়োন্টাম কম্পিউটারে ১০ কোয়ান্টাম বিট প্রসেসর রয়েছে। এছাড়া বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ৩৬ কিউবিটের আরো একটি কোয়ান্টাম চিপ তৈরি করেছে বলেও জানা গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার দীর্ঘদিন ধরে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সম্ভাবনার কথা বলে আসছে। এটি মূলত অত্যন্ত ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকা গণনা সহায়তাকারী ডিভাইস, যা ভবিষ্যৎ কম্পিউটারগুলোকে আরো দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে কাজ সম্পাদনে সহায়তা করবে।
সম্ভাবনার কথা বলে এলেও বাস্তব জগতে এখনো সেভাবে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়নি। সীমিতসংখ্যক গ্রাহককে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য বড় বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। মূলত এ খাতে এগিয়ে যাওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে বিশ্বে আধিপত্য বিস্তারের অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার।
বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আইডিসির তথ্যানুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের উন্নয়নে ১ হাজার ৬৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি জায়ান্ট ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (আইবিএম) জানায়, ২০২৫ সাল নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে চার হাজারের বেশি কিউবিটের প্রসেসর থাকবে। অন্যদিকে অ্যালফাবেটের মালিকানাধীন গুগল চলতি দশকের শেষে ১০ লাখ কিউবিটের কোয়ান্টাম কম্পিউটারের উন্নয়নে কাজ করছে বলেও জানা গিয়েছে।










