যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সেমিকন্ডাক্টর জোট চিপ ৪-এর বৈঠক নিয়ে অবহিত নয় তাইওয়ান। সম্প্রতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে শীর্ষ চিপ নির্মাতা দেশটি। সেমিকন্ডাক্টর খাতে সরবরাহ চেইন সচল রাখা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র, জাপানসহ চার দেশের অনানুষ্ঠানিক একটি জোট চিপ ৪ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ঘনিষ্ঠ মার্কিন মিত্র হলেও তাইওয়ান গতকাল জানায়, তারা চিপ ৪-এর আসন্ন বৈঠক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মহামারীর ফলে দুই বছর আগে যে বৈশ্বিক চিপ স্বল্পতা দেখা দেয় তা মোকাবেলায় মিত্র দেশগুলো নিয়ে এ জোট গঠনে এগিয়ে আসে ওয়াশিংটন। সম্প্রতি চিপস অ্যাক্ট পাস করে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নেতৃত্বাধীন সরকার। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে সেমিকন্ডাক্টর গবেষণা ও উৎপাদনে ৫ হাজার ২০০ কোটি ডলার ভর্তুকি ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে চীনের উত্থান মোকাবেলায় জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করেছে বাইডেন প্রশাসন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণ কোরীয় এক কর্মকর্তা জানান, চিপ ৪ বৈঠকের সময় ও স্থান এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে তাইওয়ানের অর্থমন্ত্রী রয়টার্সকে জানান, বৈঠক সম্পর্কিক প্রয়োজনীয় তথ্য তারা এখনো পাননি। অতীতে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় এ-সংক্রান্ত ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে কিন্তু বৈঠকের সুনির্দিষ্ট ইস্যু ও সময় নিয়ে জানা যায়নি। বিশ্বের দুই বৃহত্তম চিপ নির্মাতা দেশ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান। চুক্তিভিত্তিক চিপ নির্মাণে বিশ্ববাজারের ৫৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে তাইওয়ানের টিএসএমসি।