যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য বিরোধ চলমান। প্রযুক্তি থেকে শুরু করে চিপ উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ সরবরাহও বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার একই কারণে যুক্তরাষ্ট্রের চিপ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাইক্রনের বিক্রীত পণ্য পরীক্ষার কথা জানিয়েছে চীনের সাইবার স্পেস নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।

ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে যখন চিপ প্রযুক্তি নিয়ে বিরোধ চলছে তখনই বিষয়টি সামনে এল। এক বিবৃতিতে সাইবারস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না (সিএসি) জানায়, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোর সুরক্ষায় সরবরাহ চেইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গোপন কোনো ঝুঁকি ও জাতীয় নিরাপত্তা এখানে মুখ্য। এর বাইরে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এক বিবৃতিতে মাইক্রন জানায়, ঘোষণার বিষয়ে তারা অবগত এবং সিএসির সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করছে। প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, মাইক্রন পণ্যের নিরাপত্তার পাশাপাশি গ্রাহকদের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর একাধিক রফতানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। মূলত চিপ উৎপাদনে এ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাইডেন প্রশাসনের শঙ্কা, উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে চীন এমন সব আধুনিক চিপ তৈরি করবে যা দেশটির সামরিক খাতকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে। এজন্য এখন পর্যন্ত চীনের অনেক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে মাইক্রনের প্রতিযোগী ইয়াংটজে মেমোরি টেকনোলজিস অন্যতম। এ বিষয়ে মাইক্রনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি জাপানও প্রযুক্তি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে অ্যাডভান্সড চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত লিথোগ্রাফি ইকুইপমেন্ট উৎপাদনকারী দেশ নেদারল্যান্ডসও একই ঘোষণা দিয়েছে।