সুলতানের অধিক্ষেত্রই হচ্ছে সালতানাত। যেমন দিল্লি সালতানাত। ১২০৬ থেকে ১২৯০ পর্যন্ত দিল্লি ছিল সালতানাত। তারপর ১২৯০ থেকে ১৩২০ খিলজি সালতানাত, ১৩২০ থেকে ১৪১২ তুঘলক সালতানাত। ১৪১৪ থেকে ১৪৫০ সাইয়িদ তুঘলক সালতানাত আর ১৪৫১-১৫২৬ লোদি সালতানাত। দিল্লি সালতানাতই এক সময় এম্পায়ারে পরিণত হলো। সুলতান বা বাদশাহ তখন হয়ে যান সম্রাট। দিল্লি যখন বৃহত্তর সালতানাত তারই নাকের ডগায় দিল্লিকে ভ্রুকুটি করে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ ১৩৩৮ সালে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করেন প্রথম স্বাধীন সালতানাত। আফ্রিকায় হোক কী এশিয়ায় সালতানাত মুসলমানদের রাজত্ব।

ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ যখন মাথা তুলে দাঁড়ান, তখন দিল্লি সালতানাত নিয়ন্ত্রণ করছেন সুলতান মুহাম্মদ শাহ তুঘলক। ত্রয়োদশ শতকের শুরু থেকেই বাংলাকে দিল্লির বৃহত্তর সালতানাতের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ আরম্ভ হয়। বখতিয়ার খিলজির গৌড় বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা। দিল্লিতেও মুসলমান শাসন ফলে যোগাযোগ এবং ষড়যন্ত্র দুটোই সহজ হয়ে ওঠে। ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজি তিব্বত অভিযানে বের হওয়ার সময় আলী মর্দানকে চোখ-কান খোলা রাখার নির্দেশ দিয়ে যান। তিব্বত অভিযানে পরাস্ত হয়ে বখতিয়ার যখন দেবকোট পর্যন্ত ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, তখন তার বিশ্বস্ত আলী মর্দানই তাকে হত্যা করলেন। শিরান খিলজি বাংলার দায়িত্ব নিলেন। দিল্লি পালিয়ে গিয়ে আলী মর্দান সেখানকার সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবাককে বাংলা আক্রমণ করতে প্ররোচণা দিলেন, শুধু তাই নয় অযোধ্যার গভর্নরকে সঙ্গে নিয়ে এসে নিজেই বাংলা আক্রমণ করলেন। শিরান খিলজি রাজত্ব রেখে দিনাজপুর পালিয়ে গেলেন এবং সেখানেই মারা গেলেন। গিয়াসউদ্দিন আইওয়াজ খিলজি ১২১০ সালে ক্ষমতাসীন হলে আলী মর্দান পালিয়ে গেলেন। এদিকে দিল্লি থেকে আলী মর্দানকে বাংলার গভর্নর নিয়োগ করা হলো। তিনি ঘোষিত সুলতান হিসেবে অনাচার শুরু করলে খিলজি সভাসদদের হাতে ১২১২ সালে নিহত হন। দিল্লিতে সুলতান ইলতুতমিশ বাংলা দখল করার জন্য তার পুত্র নাসিরউদ্দিন মাহমুদকে পাঠালেন এবং ১২২৫ সালে বাংলাকে দিল্লি সালতানাতের একটি প্রদেশ ঘোষণা করলেন এবং গভর্নর নিয়োগের মাধ্যমে বাংলার শাসনভার পরিচালনা শুরু হলো। ঠিক ১০০ বছর পর ১৩২৫ সালে দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলাকে তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করে ফেললেন—পূর্ব বাংলার জন্য সোনারগাঁ, উত্তরবঙ্গের জন্য গৌড় এবং দক্ষিণবঙ্গের জন্য সাতগাঁও তিনটি প্রশাসনিক কেন্দ্র ও রাজধানী সৃষ্টি করলেন। সিদ্ধান্তটি দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। এক যুগ কোনোভাবে কাটলেও ১৩৩৮ সালেই তিন পরগনায় তিন প্রধান সুলতান হয়ে বসলেন এবং দিল্লিকে অবজ্ঞা করে স্বাধীনতা ঘোষণার পর্যায়ে চলে গেলেন। এ তিন অঞ্চলের শাসকের মধ্যে কোনো সমঝোতা ছিল না একজনের নজর ছিল অন্যজনের অঞ্চলের ওপর। অন্যদিকে দূরবর্তী শাসক দিল্লির পক্ষে এতদূর থেকে ছড়ি ঘোরানো সম্ভব ছিল না। এ সময় সোনারগাঁর সুলতানি দাবি করলেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ, গৌড় দাবি করলেন আলাউদ্দিন আলী শাহ এবং সাতগাঁওয়ের দাবিদার শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।

১৩৩৮ সালেই দিল্লি বাংলার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায়। সোনারগাঁর শাসকের মৃত্যুর সুযোগ নিয়ে তারই প্রধান রক্ষী এবং সাঁজোয়া বাহিনীর নিয়ন্ত্রক ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন। তিনি রাজত্ব বিস্তার করে চট্টগ্রাম পর্যন্ত দখল করলেন। কার্যত তিনিই বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান। ১৩৪৯ সালের তার মৃত্যুর পর পুত্র ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহ সোনারগাঁর শাসনভার নিলেন। ১৩৪৬-এ বাংলায় সফর করে যাওয়া বিখ্যাত ভ্রমণকারী ইবনে বতুতা সোনারগাঁ ও গৌড়ের মধ্যে সার্বক্ষণিক শত্রুতার বিবরণ লিখেছেন। এদিকে সাতগাঁওয়ের অধিপতি শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ গৌড় আক্রমণ করে ১৩৪২ সালে অধিপতি আলাউদ্দিন আলী শাহকে পরাজিত এবং হত্যা করে বিশাল ভূখণ্ড নিজের নিয়ন্ত্রণে আনলেন। ১৩৪৯ সালে সোনারগাঁর ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাস্ত করে এই প্রথম গৌড় বা লখনৌতি, সাতগাঁও এবং সোনারগাঁ মিলে সৃষ্ট সম্মিলিত বাংলার স্বাধীন সুলতান হন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।

মাহমুদ শাহর শাসনকালে শের শাহের গৌড় দখলের মধ্য দিয়ে ১৫৩৮ সালেই বাংলার ২০০ বছরের স্বাধীন সুলতানি আমলের সমাপ্তি ঘটে। শের শাহ সুরীর বাংলা ও দিল্লি দখলের মাধ্যমে বাংলাকে আবার দিল্লির শাসনের নিগড়ে আবদ্ধ করে ফেলেন। চার্লস স্টুয়ার্ট তার দ্য হিস্ট্রি অব বেঙ্গল গ্রন্থে ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের উত্থানের যে বর্ণনা দিয়েছেন, তার কিছু অংশ অনুসৃত হচ্ছে: সুলতান নাসিরউদ্দিন ছিলেন লখনৌতি বা গৌড় রাজ্যের সুলতান আর সোনারগাঁ অঞ্চলের সরকার প্রধান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত এক তাতার বাহরাম খান উপাধি গ্রহণ করে (স্টুয়ার্ট লিখেছেন ভিরাম খান) শাসন করতে থাকেন। নাসিরউদ্দিনের মৃত্যুর পর দিল্লির নতুন সম্রাট মোহাম্মদ শাহ কদর খানকে নাসিরউদ্দিনের স্থলাভিষিক্ত করেন এবং একই সঙ্গে বাহরাম খানের নিয়োগও অনুমোদন করেন। বাহরাম খানের সাঁজোয়া বাহিনীর প্রধান ছিলেন ফখরুদ্দীন। বাহরাম খান ১৩৩৫ সালে সোনারগাঁয় মৃত্যুবরণ করেন। সে সময় দিল্লির সুলতান দাক্ষিণাত্য বিজয় করে তার রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে স্থানান্তরের কাজে অত্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন (স্টুয়ার্টের রচনায় একটি ভ্রান্তি ঘটেছে প্রকৃতপক্ষে সে সময় তিনি রাজধানী মহারাষ্ট্রের দৌলতাবাদ থেকে দিল্লিতে ফিরিয়ে আনার বিশাল কর্মযজ্ঞে ব্যস্ত ছিলেন। ১৩২৭ সালে তারই নির্দেশে রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে স্থানান্তরিত হয়, সেসঙ্গে ঘটে দৌলতাবাদে ব্যাপক অভিবাসন। তার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল না বলেই রাজধানী আবার দিল্লিতে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন। এ ধরনের ভ্রান্ত মহাকর্মযজ্ঞকেই বলা হয় তুঘলকী কাণ্ড)।

এ ব্যস্ততার কারণে মোহাম্মদ শাহ তুঘলক বাংলার দিকে মনোনিবেশ করতে পারবেন না বিবেচনা করেই ফখরুদ্দীন সোনারগাঁ সরকারের দায়িত্ব নিজেই গ্রহণ করেন। তিনি এখানেই থেমে থাকেননি, নিজেকে স্বাধীন ঘোষণা করে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং নিজে সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।

দিল্লিতে খবর পৌঁছতেই ফখরুদ্দীনকে শায়েস্তা করতে দিল্লিশ্বর মোহাম্মদ শাহ লখনৌতির কদর খানকে আদেশ দিলেন। কদর প্রতিবেশী আরো কয়েক জন ছোট রাজ্যপ্রধানের সেনাবাহিনী সংগটিত করে রাজকীয় নির্দেশে সোনারগাঁ আক্রমণ করে ফখরুদ্দীনের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে পরাজিত করেন। সদ্যঘোষিত স্বাধীন সম্রাট জঙ্গলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হলেন। কদর খান সোনারগাঁ দখল করে নিলেন। তার সহগামী অন্যান্য সেনাদলকে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন এবং নিজ বাহিনীকে সমগ্র অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিয়ে তাদের মাধ্যমে খাজনা আদায় করার কর্মসূচি গ্রহণ করলেন। সোনারগাঁ রাজকোষে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও অলংকার ছিল, যা কদর খান দিল্লিতে পাঠানোর আয়োজন করেছিলেন বলে কেউ কেউ দাবি করেন। (তবে এটাও প্রচলিত যে সে সম্পদ রাজকোষে না জমা দিয়ে তিনি নিজেই হাপিশ করেছিলেন)। ফখরুদ্দীন তার গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে কদর খানের নিয়ন্ত্রণাধীন সেনাবাহিনীর একাংশকে প্রস্তাব পাঠালেন যদি তারা তার সঙ্গে যোগ দেয় এবং কদর খানকে হত্যা করে, তাহলে রাজকোষের সব অর্থসম্পদ তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেবেন। তার গোয়েন্দা দূত সফল হলেন। সৈন্যরা হত্যাকাণ্ডটি সম্পন্ন করে এবং বিদ্রোহীরা ফখরুদ্দীনের সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে মিলিত হয় এবং ফখরুদ্দীন সোনারগাঁ ফিরে এসে প্রতিশ্রুত অর্থ সম্পদ বিতরণ করেন এবং পুনরায় নিজেকে স্বাধীন সুলতান সেকান্দর ঘোষণা করেন। লড়াই করে দিল্লির পক্ষে সোনারগাঁ উদ্ধার আর সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। দিল্লি শাসনভার তখন অধিকতর দুর্বল সুলতানের হাতে, বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহ কেন্দ্রীয় শাসনকে দুর্বল করে তোলে। সুলতান সেকান্দর সোনারগাঁ শহরে তার আবাসিক ভবন নির্মাণ করেন।

রমেশচন্দ্র মজুমদার জিয়াউদ্দিন বরনির তারিখ-ই ফিরোজশাহী এবং ইয়াহিয়া বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ শিরহিন্দীর তারিখ-ই- মোবারক শাহী উদ্ধৃত করে কিছুটা ভিন্ন বিবরণী উপস্থাপন করেছেন:

‘তাহার (ফখরুদ্দীনের) হাতি ও ঘোড়াগুলি কদর খানের অধীনে আসে। কদর খান লুট করিয়া অনেক রোপ্যমুদ্রাও হস্তগত করেন। মালিক হিসামুদ্দিন নামে জনৈক পদস্থ অমাত্য কদর খানকে এই অর্থ রাজকোষে পাঠাইয়া দিতে বলিলেন। কিন্তু কদর খান তাহা করিলেন না। তিনি সৈন্যদের এই লুটের কোন ভাগও দিলেন না। ইহাতে সৈন্যরা তাহার উপর অসন্তুষ্ট হইল এবং তাহারা ফখরউদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করিয়া তাহাকে হত্যা করিল। ফখরউদ্দিন সোনারগাঁ পুনরাধিকার করিলেন।’

রমেশচন্দ্র মজুমদার লিখেছেন, ‘ফখরউদ্দিন সাময়িকভাবে লখনৌতি (গৌড়) অধিকার করলেন এবং ক্রীতদাস বংশীর মুখলিশ খানকে শাসনকর্তা নিয়োগ করলেন। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যে কদর খানের সেনাবাহিনীর আরিজ-ই-লস্কর (সৈন্যদের বেতনদাতা) আলী মুবারক মুখলিশকে হত্যা করে লখনৌতি অধিকার করে একজন শাসনকর্তা প্রেরণের জন্য দিল্লিতে বার্তা পাঠালেন। সুলতান দিল্লির শাসনকর্তা ইউসুফকে লখনৌতির জন্য নিয়োগ দিলেন, কিন্তু তিনি লখনৌতি পৌঁছার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। দিল্লি থেকে আর কোনো শাসনকর্তা না পাঠানোর ফলে অরাজকতা দেখা দেয়, বিশেষ করে ফখরউদ্দিনের আক্রমণ প্রতিহত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আলী মুবারক আলাউদ্দিন আলী শাহ নাম গ্রহণ করেন এবং নিজেকে শাসক হিসেবে ঘোষণা করেন।’

আলী মোবারক এক বছর পাঁচ মাস লখনৌতি ধরে রাখতে পেরেছিলেন। তারপর তিনি ইলিয়াস খাজা কিংবা হাজি ইলিয়াস নামের ঘাতকের হাতে নিহত হন। খাজা ইলিয়াস শামসুদ্দিন নাম নিয়ে শাসন করতে থাকেন।

লখনৌতি খুব অল্প সময় ফখরুদ্দীনের দখলে থাকলে তিনি চট্টগ্রাম দখল করেন এবং সোনারগাঁকে কেন্দ্র করে বাংলার বিশাল এলাকা তার শাসনাধীনে চলে আসে। তিনি বাস্তবিকই দিল্লিকে এতটুকুও গুরুত্ব না দিয়ে স্বাধীন সুলতান হিসেবে এক যুগ বাংলা শাসন করেন।

সোনারগাঁকে অনেক উত্থান ও পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এটি যে অতিপ্রাচীন একটি জনপদ, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিরোধ নেই। এ অঞ্চলের অধীনস্থ লাঙ্গলবন্দ এবং পঞ্চমীঘাট তীর্থ সোনারগাঁর ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত। রাজা দনুজ রায়ের সময় সোনারগাঁ প্রথম বাংলার রাজধানী হলেও তার শানশওকত ম্লান হয়ে যায়। তবে বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁকে সালতানাতের রাজধানী ঘোষণার পর তার জৌলুস ফিরে আসে। তবে মোগল বাংলায় রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার পর সোনারগাঁ আবার ম্লান হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক নৌ-যোগাযোগের একটি অন্যতম বন্দর হয়ে উঠেছিল সোনারগাঁ।

বাংলার মানচিত্র অনেকবারই বদলেছে, তবে প্রাচীন বা মধ্যযুগে বাংলার অন্তর্ভুক্তির বিস্তার কেমন ছিল, তা এখনো কৌতূহল জাগায়। মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতার বর্ণনায় বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ ছিলেন দক্ষ শাসক, সমরকুশলী এবং কূটনীতিজ্ঞান সম্পন্ন। ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলার ইতিহাসে প্রেরণাদায়ী নাম হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।

 

এমএ মোমেন: সাবেক সরকারি কর্মকর্তা