ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বিনাবাধায় বাংলার নদীয়া জয় করেন। এর মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়। বখতিয়ার খলজির লখনৌতি (গৌড়) ও নদীয়া জয় এবং পরে তিব্বত আক্রমণের চেষ্টা তার চরম বিপর্যয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজের তবকাত-ই-নাসিরি গ্রন্থ। এ গ্রন্থের ওপর নির্ভর করেই ঐতিহাসিকরা বখতিয়ারের বাংলা ও তিব্বত অভিযান পর্ব লিখেছেন।

বখতিয়ার নদীয়া জয়ের সময় রাজা লক্ষ্মণ সেন পালিয়ে যান বিক্রমপুরে (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ)। কিন্তু বখতিয়ার লক্ষ্মণ সেনের পিছু নেয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। নদীয়া হাতছাড়া হওয়ার পরও লক্ষ্মণ সেন আমৃত্যু (১২০৬ খ্রি. পর্যন্ত) সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। আর বখতিয়ার খলজি লখনৌতি ও নদীয়া জয়ের পর প্রায় দুই বছর কোনো অভিযানে বের হননি। এ সময়ের মধ্যে বখতিয়ার বিক্রমপুর, পূর্ব-দক্ষিণ বাংলা অথবা এ অঞ্চলের কোনো অংশ দখলের কোনো চেষ্টাও করেননি।

বিক্রমপুর নদী-নালা ও খাল-বিলবেষ্টিত অঞ্চল। বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে। পূর্ব ও দক্ষিণবঙ্গও তাই। এ অঞ্চলে বর্ষাকালে চলাচলের জন্য নৌযানই একমাত্র ভরসা। অন্যদিকে বখতিয়ারের কোনো নৌবহর বা নৌবাহিনী ছিল না। তুর্কি যোদ্ধা বখতিয়ারের ছিল শুধু শক্তিশালী অশ্বারোহী বাহিনী। সমকালে নৌশক্তি ছাড়া বিক্রমপুর বা দক্ষিণ বাংলা অভিযানের কথা কল্পনাও করা যেত না।

পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, নিজস্ব নৌশক্তির অভাব এবং নদী-নালাবেষ্টিত প্লাবনভূমিতে যুদ্ধ করার অনভিজ্ঞতাই যে বখতিয়ায়ের এ অঞ্চল জয়ের ন্যূনতম কোনো চেষ্টা না করার প্রধান কারণ সে যৌক্তিকতা পাওয়া যায় তার পতনের ঘটনার মধ্য দিয়ে। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার প্রায় ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে তিব্বত আক্রমণে এগিয়ে যান। বেগবতী নামে একটি নদী পার হতেই তার বাহিনীর ১০ দিন লেগে যায়। পরে ফিরতি পথে খাদ্যাভাব, পাহাড়িদের আক্রমণ এবং নদী পার হওয়ার অনভিজ্ঞতা বখতিয়ারের পুরো বাহিনীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। মরুভূমি এলাকার তুর্কি সৈন্যরা যুদ্ধে দক্ষ হলেও সাঁতারে অদক্ষ ছিল। বখতিয়ার তখন নৌকা ও ভেলা বানানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু সফল হননি। এর মধ্যে কামরূপ রাজার সৈন্যরা তাকে ঘেরাও করলে ঘোড়া নিয়েই নদী পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করেন বখতিয়ার। কিন্তু নদীর গভীর জলে অধিকাংশ সৈন্য ডুবে মারা যায়। মাত্র একশ সেনা নিয়ে দেবকোটে পৌঁছেন। ফলে বাংলায় মুসলিম রাজ্যের বিস্তৃতি সাময়িকভাবে থেমে যায়। বিপুল সেনাবাহিনী ধ্বংস ও ব্যর্থতায় বখতিয়ার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। অসুস্থ হয়ে ১২০৬ খ্রিস্টাব্দেই মৃত্যুবরণ করেন।

বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর খলজির মালিকদের মধ্যে চরম আকারে আন্তঃবিরোধ দেখা দেয়। শিরন খলজির শাসন এবং পরবর্তী শাসক আলী মর্দান খলজি ১২১২ খ্রিস্টাব্দে হত্যার শিকার হওয়ার পর ইওজ খলজি সুলতান গিয়াস উদ্দিন খলজি উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি দেবকোট ও লখনৌতির শাসনভার গ্রহণ করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেন। তিনি বুঝতে পারেন, নদীমাতৃক পূর্ব এবং সমগ্র বাংলাদেশ নিজের অধীনে আনতে হলে নৌশক্তি প্রয়োজন। এতদিন তুর্কি সামরিক শক্তি শুধু অশ্বারোহী বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল ছিল। তাই নদীমাতৃক বাংলায় কোনো অভিযান পরিচালনা করতে পারেনি। গুরুত্ব বিবেচনায় ইওজ খলজি সর্বপ্রথম নৌবহর গঠন করেন। নৌবহর গঠনে তিনি বাঙালি নাবিকদের সাহায্য নেন এবং সামরিক নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা করেন। এর দ্বারা প্রমাণ হয়, বাংলা অঞ্চলের সেনারা আগে থেকেই নৌযুদ্ধে দক্ষ ছিল। এ কারণেই ইওজ খলজি নৌবহর গঠনে বাঙালিদের সহযোগিতা নেন। সম্ভবত সমকালে এর বিকল্পও ছিল না।

ইওজ খলজি ১২২৬-২৭ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব বাংলায় অভিযানে যান বলে মিনহাজের তবকাত-ই-নাসিরিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইওজ এ অভিযানে সফল হননি। কারণ ঠিক ওই সময় দিল্লির সুলতান ইলতুতমিশের বাহিনী লখনৌতি আক্রমণ করে। সংবাদ পেয়ে ইওজ খলজি পূর্ব বাংলা অভিযান স্থগিত করে লখনৌতি ফিরে যান। সেখানে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে পরাজিত হন। পরে তাকে হত্যা করা হয়।

২.

বাংলার ইতিহাসে মোগল সম্রাটদের শাসনামলেও দেখা যায়, পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় বারো ভুঁইয়াদের এ অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা ও মোগল শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘকালব্যাপী যুদ্ধে বর্ষাকাল এবং এ অঞ্চলের অসংখ্য নদী-নালা বড় ফ্যাক্টর ছিল। সম্রাট আকবরের অর্ধশতকব্যাপী শাসনামলে পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় অভিযান নিয়ে খুব সতর্ক থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। অন্যদিকে কৌশলগত কারণে তখনকার বাংলার শাসক সুলেমান কররানীকে মাঝেমধ্যে উপঢৌকন পাঠিয়ে মোগল সম্রাটকে খুশি রাখার চেষ্টা করতেও দেখা যায়। ১৫৭২ খ্রিস্টাব্দে সুলেমান কররানির মৃত্যুর পর পুত্র বায়জিদ কররানি পিতার স্থলাভিষিক্ত হন। কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণ তিনি নিহত হলে ওই বছরই দাউদ খান কররানি সিংহাসনে আরোহণ করেন। ঐতিহাসিকদের মতে, দাউদ খান ছিলেন অপরিণামদর্শী শাসক। সুলেমান কররানির মোগল সম্রাটের নামমাত্র বশ্যতা শিকারের নীতির বিপরীতে গিয়ে তিনি নিজে বাদশাহ উপাধি গ্রহণ করে নিজের নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রা অঙ্কিত করেন। ফলে আকবর তার ওপর রুষ্ট হন। এরপর সম্রাট আকবরের বাহিনী স্থল ও নৌপথে দাউদ কররানিকে আক্রমণ করে। দাউদ শক্তভাবে প্রতিরোধ করেন। তবে ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দের জুলাইয়ে রাজমহলের যুদ্ধে তিনি পরাজিত ও বন্দি হন। তার বিখ্যাত সেনাপতি কালাপাহাড় আহত এবং খানজাহান নিহত হলে দাউদ পলায়নের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে বহনকারী ঘোড়া বর্ষার জলাভূমিতে আটকে যায়। ফলে দাউদ বন্দি হন এবং মোগলরা তাকে প্রাণদণ্ড দেন।

সম্রাট আকবরের সময়ে বাংলাদেশ নামমাত্র মোগল সম্রাটের রাজ্যভুক্ত ছিল। মোগল শাসন শুধু উত্তর ও পশ্চিম বাংলা এবং দুর্গ এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। ওই সময়টায় বাংলাদেশ বারোজন জমিদারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এজন্য বাংলাদেশ অভিহিত ছিল ‘বারো ভুঁইয়ার মুলক’ নামে। এই বারোজন জমিদার দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সম্রাট আকবরের খ্যাতিমান সেনাপতি ও তাদের সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজেদের স্বাধীনতা ধরে রাখতে সক্ষম হন। এ সক্ষমতার পেছনে বারো ভুঁইয়াদের শক্তিশালী নৌবাহিনীর ভূমিকার কথাই ঐতিহাসিকরা আলোচনায় এনেছেন। বারো ভুঁইয়াদের সামরিক বাহিনী নদী-খাল-বিল ও ভাটি বাংলায় যুদ্ধে পারদর্শী ছিল। বারো ভুঁইয়াদের সঙ্গে মোগল সেনাপতিদের পেরে ওঠা কঠিন ছিল। বর্ষাকালে বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে বারো ভুঁইয়াদের নৌবাহিনী ছিল অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রতিরোধ্য। এর সত্যতা পাওয়া যায় পরবর্তী সময়ে মোগল শাসকরা তাদের নৌশক্তি বৃদ্ধি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে পাওয়া সফলতার ঘটনার মাধ্যমে।

১৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর মানসিংহকে বাংলার সুবাদার নিয়োগ করেন। ১৫৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিক্রমপুরের (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলা) ১২ মাইল দূরে বারো ভুঁইয়াদের নেতা ও সোনারগাঁওর শাসক ঈসা খাঁর সঙ্গে নৌযুদ্ধে লিপ্ত হন। যুদ্ধে মানসিংহের পুত্র নিহত হয়। মানসিংহ ঈসা খাঁর সঙ্গে সন্ধি করেন। এরপর ঈসা খাঁ সমঝোতা ভিত্তিতে মোগল বন্দিদের মুক্তি ও সম্রাটের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। মানসিংহ রাজধানীতে ফিরে যান। তবে ঈসা খাঁর জীবদ্দশায় মোগল সম্রাট আকবর পূর্ব বাংলার ভাটি অঞ্চলে তার কর্তৃত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি।

১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ঈসা খানের মৃত্যু হয়। তার ছেলে মুসা খান বারো ভুঁইয়াদের নেতৃত্বে আসেন। মুসা খানের নেতৃত্বে বারো ভুঁইয়াদের সম্মিলিত আক্রমণে বাংলায় আবারো মোগলদের বিপর্যয় ঘটে। মানসিংহ ১৬০১ খ্রিস্টাব্দে পুনরায় বাংলায় আসেন। তিনি ঢাকা পৌঁছলে মুসা খাঁর নেতৃত্বে অন্য জমিদাররা ইছামতী নদীতে মোগলদের প্রতিরোধ করেন। কিন্তু মানসিংহ ১৬০৪ সাল নাগাদ কয়েকটি যুদ্ধে সফলতা পান। এরপর তিনি আত্রাই নদের তীরবর্তী নাজিরপুর দুর্গে অবস্থান নেন। এ সময় বর্ষাকাল এলে মোগলদের শক্তিশালী অশ্বারোহী বাহিনী প্রায় ছয় মাসের জন্য অনেকটা অকার্যকার থাকে। তাই কৌশলগত কারণে বর্ষাকালে যুদ্ধ এড়িয়ে চলেন মানসিংহ। ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর অসুস্থ হয়ে পড়লে মানসিংহকে দিল্লি ডেকে নেন। এ বছরই সম্রাট আকবরের মৃত্যু হয়। আকবরপুত্র সেলিম নুরুদ্দীন মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন ইসলাম খান। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন, বারো ভুঁইয়াদের নেতা মুসা খানকে দমন করতে পারলেই অন্য জমিদারদের নিয়ন্ত্রণ ও বাংলায় নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। যেহেতু বারো ভুঁইয়াদের দখলে থাকা ভাটি বাংলা অসংখ্য নদী-খাল-বিল বাহিত ও প্লাবনভূমি তাই এ অঞ্চলে সফলতা পেতে প্রয়োজন শক্তিশালী নৌবাহিনী। এ কারণে ইসলাম খান শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠন করেন। কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কয়েকজন জমিদারকে পক্ষে আনার পর যুদ্ধের কৌশলগত কারণে খাল খনন করে মুসা খানের ‘ডাকচরা’ দুর্গ অবরোধ করেন। টানা এক মাস সংঘর্ষ, গোলাগুলির পর ১৫ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ডাকচরা দুর্গের পতন ঘটান। সেখান থেকে মহাসমারোহে ঢাকায় অগ্রসর হন ইসলাম খান। ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করে নাম রাখেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’। যেহেতু ভাটি বাংলা বর্ষাকাল এলে মোগল সৈন্যদের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে, তাই তিনি নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সৈন্য ও নৌবহর স্থাপন করেন।

৩.

সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় শক্ত অবস্থানের পর মুসা খান তার সহযোগী জমিদারদের নিয়ে মোগলদের বিরুদ্ধে আবারো প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তার জমিদারির পশ্চিমাঞ্চলে সেনা ও নৌবহর মোতায়েন করেন। ১৬১১ খ্রিস্টাব্দের মার্চে মোগলদের সঙ্গে জমিদারদের নৌযুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধে মুসা খানের কদমরসুলসহ কয়েকটি দুর্গ মোগলদের দখলে চলে যায়। মোগলদের শক্তিশালী নৌ-আক্রমণে অবস্থা বেগতিক দেখে মুসা খান প্রথমে সোনারগাঁ এবং পরে মেঘনা নদীর ইব্রাহিমপুর দ্বীপে (বর্তমানে চাঁদপুরে অবস্থিত) আশ্রয় নেন। এ সময় মোগল সেনারা সোনারগাঁ দখল করে। অন্য জমিদাররা মোগলদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। একপর্যায়ে মুসা খানও আত্মসমর্পণ করে মোগল সম্রাটের আনুগত্য মেনে নেন। ফলে মুসা খানকে তার জমিদারি জায়গিরস্বরূপ দেয়া হয়।

এখানে লক্ষণীয় বিষয় যে বাংলার বারো ভুঁইয়াদের বিরুদ্ধে সুবাদার ইসলাম খানের নেতৃত্বে চূড়ান্ত বিজয়টি সংঘটিত হয় গ্রীষ্মকালে। মোগলদের শেষ অভিযানটি বর্ষাকালে হলে নদী এলাকায় মুসা খানের প্রতিরোধ আরো দীর্ঘায়িত হতে পারত। কারণ মুসা খানরা নদী এলাকায় যুদ্ধে পারদর্শী ছিলেন।

ওপরের ঘটনাবলি পর্যালোচনা করলে বখতিয়ার খলজির পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় অভিযানের চেষ্টা না করা, পরের শাসকদের নৌশক্তি গঠন এবং বাংলায় মোগলদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তারের চূড়ান্ত পর্বেও নদী ও বর্ষাকালকে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা যায়।

তথ্যসূত্র

১। রমেশচন্দ্র মজুমদার, বাংলাদেশের ইতিহাস (মধ্য যুগ), কলকাতা, জেনারেল প্রিন্টার্স অ্যান্ড পাবলিশার্স লিমিটেড, ১৯৯৮, পৃ. ২-৩।

২। আবদুল করিম, বাংলার ইতিহাস, সুলতানী আমল, ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, ২০১৮, পৃ. ৮৪-৮৬; পৃ. ১০৩-১০৪ এবং রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রাগুক্ত, পৃ. ৪-৫।

৩। ড. মুহম্মদ আবদুর রহিম, ড. আবদুল মমিন চৌধুরী, ড. এবিএম মাহমুদ, ড. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশের ইতিহাস, ঢাকা, নওরোজ কিতাবিস্তান, ২০১৩, পৃ. ২৪৪-২৫৪।

নীরব হাসান: লেখক ও গবেষক