আগামী ৩০ আগস্ট পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মাটিতে শুরু হবে এশিয়া কাপ ক্রিকেট। এরপর ৫ অক্টোবর ভারতে শুরু হবে ত্রয়োদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এই দুটি আসরের জন্যই অধিনায়ক হিসেবে সাকিব আল হাসানকে বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান আজ শুক্রবার দুপুরে গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান।

 

তামিম ইকবাল সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে ওয়ানডে অধিনায়কের পদ ছেড়ে দেন। চোটগ্রস্ত থাকায় তিনি দায়িত্ব থেকে সরে যান। তখনই জল্পনা-কল্পনা ছিল, কে হবেন তামিমের উত্তরসুরি? কখনো লিটন দাস, কখনোবা অভিজ্ঞ সাকিবের নাম উঠছিল।

 

এই পরিস্থিতিতে বিসিবি থেকে বলা হচ্ছিল, আপাতত এশিয়া কাপের জন্য অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে। এরপর বিশ্বকাপের জন্য। কিন্তু অধিনায়ক চূড়ান্ত করার দায়িত্ব কাঁধে নেয়া পাপন আজ দুই আসরের জন্যই অধিনায়ক হিসেবে সাকিবকে বেছে নেয়ার কথা জানালেন।  

 

সাকিব আগে থেকেই বাংলাদেশের টেস্ট ও টি২০ দলের অধিনায়ক। এখন তিন সংস্করণেই তিনি নেতৃত্ব দেবেন কি না, এই সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে আলোচনা করে পরে নেয়া হবে বলে জানান পাপন।

 

গত ৩ আগস্ট তামিম সংবাদ সম্মেলন করে নেতৃত্ব ছাড়ার পর থেকেই সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের নামই উচ্চারিত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। দেশের সাবেক ক্রিকেটাররাও বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে সাকিবকেই অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চেয়েছেন।

 

তামিম ইনজুরিতে থাকার সময় ৫টি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেন লিটন দাস। সাকিবের পাশাপাশি আলোচনায় ছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার ও উইকেটকিপারও। যদিও পারফরম্যান্স কিংবা নেতৃত্বদানে অভিজ্ঞ নাম সাকিবের ওপরই শেষ পর্যন্ত ভরসা রাখলেন বোর্ড সভাপতি।

 

২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সাকিবের নেতৃত্বে খেলেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। এরপর ওয়ানডে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাশরাফি, তামিমসহ একাধিক খেলোয়াড়। বড় আসর সামনে রেখে আবারো ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে ফিরলেন সাকিব।

 

সাকিবের নেতৃত্বে ৫০টি ওয়ানডে খেলে বাংলাদেশ জিতেছে ২৩টি, হেরেছে ২৬টি। এবার এশিয়া কাপ ও ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নিয়ে নতুন মিশনে নামছেন তিনি।