চেমসফোর্ডে গতকাল দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে বৃষ্টিবিঘ্নিত ৪৫
ওভারের ম্যাচে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং প্রদর্শনীতে ৬ উইকেটে ৩১৯ রানের সৌধ গড়ে
আয়ারল্যান্ড। হ্যারি টেক্টর ১৪০ ও জর্জ ডকরেল ৭৪ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে
আইরিশদের বিশাল সংগ্রহ এনে দেন। বড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে জয়ের রেসে
রেখেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করা এই বামহাতি ব্যাটার
১০৩ রানে ব্যাট করছিলেন। বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১১ ওভারে ৮৮ রান।
চতুর্থ উইকেটে তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে
১০২ বলে ১৩১ রান যোগ করেন শান্ত। তৌহিদ ৫৮ বলে ৬৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে জর্জ
ডকরেলের শিকার হন। শান্ত এর আগে সাকিবকে নিয়ে বোর্ডে যোগ করেন ৪৭ বলে ৬১ রান।
টস জিতে ফিল্ডিং নেয়া বাংলাদেশ পেসম্যান হাসান মাহমুদের
কল্যাণে দ্রুতই সফলতা পায়। ১৬ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বসে আইরিশরা। যদিও এই ধাক্কা
ভালোভাবেই সামলে নেয় ‘স্বাগতিক’রা। হ্যারি টেক্টর ও অ্যান্ডি বলবির্নি ১০৪ বলে ৯৮
রানের জুটিতে দলকে সংহত অবস্থান গড়ে দেন। অধিনায়ক বলবির্নি ৫৭ বলে ৪২ রানের ইনিংস
খেলে শরিফুল ইসলামের শিকার হন। টেক্টর এরপর আরো আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন। লরকান
টাকারকে নিয়ে ২৪ ও কার্টিস ক্যামফারকে নিয়ে ২৯ রানের জুটি গড়েন।
ষষ্ঠ উইকেটে জর্জ ডকরেলকে নিয়ে মাত্র ৬৮ বলে ১১৫ রান যোগ
করেন টেক্টর। এ পথে তিনি তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১১৩
বলে ৭টি চার ও ১০টি ছক্কায় ১৪০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে বোল্ড হন এবাদত হোসেনের
বলে। এরপর শেষ ১৮ বলে মার্কা অ্যাডায়ার ও ডকরেল বোর্ডে যোগ করেন আরো ৩৭ রান। ৪৭
বলে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ডকরেল।
প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৩০ রান করা আইরিশরা পরের ১০ ওভার থেকে
সংগ্রহ করে ৬১ রান। ২১তম ওভারে তারা ১০০ টপকে যায়। ২০তম ওভারে তাইজুল ইসলামকে তিন
তিনটি ছক্কা মেরে ৩৩ থেকে ফিফটিতে পৌঁছে যান টেক্টর। সেটিকে পরে রূপ দেন
সেঞ্চুরিতে।
ইনিংসে মোট ১৬টি ছক্কায় হাঁকায় আইরিশ ব্যাটাররা। আর
চারের মার ছিল ২০টি।










