প্যারিসের ৭৫ হাজার ধারণক্ষমতার স্তাদে দে ফ্রান্সে ২৫ মে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল। লিভারপুল ও রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের জন্য ১৯ হাজার ৬১৮টি করে টিকিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। দুই দল মিলে পাচ্ছে ৩৯ হাজার ২৩৬টি টিকিট! বাকি ৩৫ হাজার ৭৬৪টি টিকিট কারা পাচ্ছে?

উয়েফার টিকিট বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লিভারপুলের জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লোপ। তিনি বলেছেন, হ্যাঁ, এটা সত্যি আমরা ২০ হাজার টিকিট পেয়েছি। ওরাও (রিয়াল মাদ্রিদ) ২০ হাজার টিকিট পেয়েছে। আরো ৩৫ হাজার টিকিট বাকি আছে। কোথায় গেল ওই টিকিটগুলো?

তার প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন উয়েফা প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার সেফেরিন। তিনি জানান, বাকি ৩৫ হাজার টিকিটের মধ্যে ১২ হাজার টিকিট উয়েফা বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সমর্থকদের মধ্যে বিক্রি করে থাকে। সেসব টিকিট বিক্রির শেষ সময় ছিল সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের আগ (২৮ এপ্রিল) পর্যন্ত। লিভারপুল আর রিয়াল যে ফাইনাল খেলবে, সেটা নিশ্চিত হয়েছে ২৮ এপ্রিলের পর। ফলে বিশ্বের অন্যান্য জায়গার রিয়াল-লিভারপুল সমর্থকরা চাইলেও ফাইনালের টিকিট কিনতে পারেননি উয়েফার কাছ থেকে। বাকি ২৩ হাজার টিকিট বিভিন্ন দেশের ফুটবল সংস্থা, ব্যবসায়িক অংশীদার, সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করবে উয়েফা। সেফেরিন বলেছেন, ফাইনালের আয়ের মাত্র ৬.৫ শতাংশ পায় উয়েফা, বাকি ৯৩.৫ শতাংশ পায় ক্লাবগুলো। অন্যান্য ম্যাচের শতভাগ আয় ক্লাবগুলোর পকেটে যায়। ভক্তদের জন্য দুটি ক্লাবই প্রায় ২০ হাজার করে টিকিট পেয়েছে। বিজ্ঞাপনদাতাদের থেকে পাচ্ছি ১০০ মিলিয়ন ইউরো, যার ৯৩.৫ শতাংশ পাবে ক্লাবগুলো। চুক্তির বাধ্যবাধকতা অনুসারে কিছু টিকিট পায় বিজ্ঞাপনদাতারা।

সেফেরিন আরো বলেন, উয়েফা অন্যদের চেয়ে বেশি টিকিট পায় না। কিছু টিকিট বাজারে যায়, কিছু টিকিট ভক্তদের কাছে যায় এবং কিছু অংশীদারদের কাছে যায়। এটি উয়েফা নয়। আমি আমার বন্ধুদের বিনামূল্যে টিকিট দিচ্ছি না বা আমার বন্ধুদের কাছে বিক্রি করছি না।