ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফ্রেড ও ফরওয়ার্ড অ্যান্টনির গোলে বার্সেলোনাকে হারিয়ে
ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোয় উঠেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বৃহস্পতিবার রাতে ওল্ড
ট্র্যাফোর্ডে রেড ডেভিলরা জিতেছে ২-১ গোলে। দুই লেগ মিলে ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায়
ইংলিশ জায়ান্টরা পেয়েছে শেষ ষোলোর টিকিট।
জয় শেষে অ্যান্টনিকে ‘সাহসী’ ও ‘নির্ভীক’ এক খেলোয়াড় বলে অভিহিত করলেন ম্যানইউর
কোচ এরিক টেন হ্যাগ। গত বছর ডাচ ক্লাব আয়াক্স থেকে ৯৫ মিলিয়ন ডলারে অ্যান্টনিকে
কিনেছে ইংলিশ ক্লাবটি। খেলোয়াড়টি সেই আস্থার প্রতিদান দিচ্ছেন। এদিন প্রথম শটেই
গোল করেন। জয় শেষে তাকে প্রশংসা ভাসিয়ে টেন হ্যাগ বলেন, ‘সে সাহসী, সে নির্ভীক।
আমাদের যেমনটি প্রয়োজন ছিল তেমনই প্রাণশক্তি সে দ্বিতীয়ার্ধে নিয়ে আসে। মাঠে তার
ড্রিবলিং ও গোল অবিশ্বাস্য ছিল।’
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়ার পর এবার ইউরোপা লিগও শেষ
বার্সার। এখন তাদের ভরসা কেবল লা লিগা, যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের
চেয়ে আট পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে জাভি হার্নান্দেজের দল।
ম্যানইউর গতি ও চাপ তৈরি করে খেলার কাছে অনেকটা অসহায় মনে হয় বার্সাকে। পরাজয়
শেষে জাভি বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে স্থিরতা ও ধৈর্য্য কম ছিল এবং আমরা
দ্বিতীয়ার্ধে বাজে সূচনা করি। আমরা আরো ভালো খেলতে পারতাম।’
১৯৯৮-৯৯ মৌসুমের পর এই প্রথম ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় শেষ ষোলোতে উঠতে ব্যর্থ
হলো বার্সেলেনো। সেসঙ্গে ১৮ ম্যাচের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ভাঙল তাদের।
ন্যু ক্যাম্পে প্রথম লেগ ২-২ গোলে ড্র হয়। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ১৮ মিনিটের সময়
রবার্ট লেভানডভস্কির পেনাল্টি গোলে লিড নেয় বার্সেলোনা। ৪৫ মিনিটে ডাচ ফরওয়ার্ড
ভাউগ ভেগহর্স্ট ইনজুরিতে পড়লে বদলি হিসেবে নামেন অ্যান্টনি। ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়টি
মাঠে নামার সাথে সাথেই গতি আসে ম্যানইউর খেলা। সুফলও আসে দ্রুত। ৪৭ মিনিটে সমতা আনেন
তার স্বদেশী ফ্রেড। ৭৩ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন অ্যান্টনি।
জয় শেষে টেন হ্যাগ আরো বলেন, ‘যখন আপনি এ মুহূর্তে ইউরোপের অন্যতম সেরা দল
বার্সেলোনাকে হারাবেন, সেটা আপনার মনে বিশ্বাস এনে দেবে। কারণ আমি মনে করি, তখন
তুমি যে কাউকেই হারাতে পারো।’
এদিকে, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার হ্যাটট্রিকে ভর করে ফ্রান্সের নঁতেকে ৩-০ গোলে (দুই
লেগ মিলে ৪-১) হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে ইতালির জায়ান্ট জুভেন্টাস।
ইউরোপা লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগ ৯ মার্চ।










