ভারতের হয়ে ১৭টি টেস্ট ও ১০৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন বিনোদ কাম্বলি। এছাড়া ১২৯টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ ও ২২১টি লিস্ট-এ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তিনি সাবেক ক্রিকেট সুপারস্টার শচীন টেন্ডুলকারের বন্ধু। শচীন ক্রিকেটের অন্যতম ধনী ব্যক্তিও। অথচ তার বন্ধু কাম্বলি এখন নিদারুণ অর্থকষ্টে দিনযাপন করেন। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) দেয়া পেনশনের মাসিক ৩০ হাজার রুপিতে তার সংসার চলে না।
ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের জন্মদিনে সেঞ্চুরি করা প্রথম ক্রিকেটার কাম্বলি। এরপর এমন কীর্তি গড়েন শচীন, সনাথ জয়সুরিয়া ও রস টেলর। তবে প্রথমের কৃতিত্ব কাম্বলিরই। ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো রানগড় তারই দখলে। যদিও মাত্র ২৩ বছর বয়সে শেষ হয়ে যায় টেস্ট ক্রিকেট ক্যারিয়ার। ১৭ টেস্টে ১ হাজার ৮৪ রান করা এই বামহাতি ব্যাটারের গড় ৫৪.২০। সর্বোচ্চ ইনিংস ২২৭ রানের। তার বন্ধু শচীন ৫৩.৭৮ গড়ে করেছেন ১৫ হাজার ৯২১ রান। ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেছেন ২৮ বছর বয়স পর্যন্ত।
স্কুল ক্রিকেটে সেন্ট জেভিয়ার স্কুলের বিপক্ষে শচীনের সঙ্গে ৬৬৪ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন ছিলেন কাম্বলি, পরে শারদাশ্রম বিদ্যামন্দির স্কুল দলের কোচ রমাকান্ত আচরেকারের নির্দেশে ইনিংস ঘোষণা করা হলে শেষ হয় এই জুটি।
এই হলেন বিনোদ কাম্বলি। আগেভাগে ক্যারিয়ার শেষ না হলে হতে পারতেন শচীনের মতোই কিংবদন্তি। অথচ এখন তার সংসার চালাতে বোর্ডের কাছে হাত পাততে হয়! আয় বলতে বোর্ডের দেয়া মাসিক পেনশনের ৩০ হাজার রুপি। তা দিয়ে সংসার চালাতে পারছেন না তিনি। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্দিষ্ট আয় বলতে কিছু নেই ৫০ বছর বয়সী কাম্বলির।










