প্রথম তিন ম্যাচ বাংলাদেশ জিতে নেয়ায় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ পরিণত হয়েছে আনুষ্ঠানিকতায়। তবু জিততে মরিয়া ছিল দুই দল। এই লড়াইয়ে জিতল বাংলাদেশ। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৫ রানে হারাল লাল-সবুজরা। সিরিজে ৪-০তে এগিয়ে গেল তারা। রোববার একই মাঠে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচ।

 

অতিথিদের হতাশ করে ওপেনিং জুটিতে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার ১০ ওভারে তুলে নেন ৯০ রান। দুজন ১০১ রান তুলে বিচ্ছিন্ন হন। এরপরও বাংলাদেশ ১৪৩ রানে অলআউট হয়েছে!

 

ইনিংসের ১২তম ওভারে বাংলাদেশের দুই ওপেনারকেই ফেরান লুক জঙ্গুই। ৩৭ বলে ৫২ রানের দুর্দান্ত এক ফিফটি করে এক্সট্রা কভারে জোনাথন ক্যাম্পবেলকে ক্যাচ দেন তানজিদ। একই ওভারে সৌম্য সরকারকেও লিগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে সাজঘরের পথ দেখান জঙ্গুই। সৌম্য ৩৪ বলে ৪১ রান করেন।

 

জঙ্গুইর (৩/২০) সঙ্গে রিচার্ড এনগারাভা (২/২৭) ও ব্রায়ান বেনেট (২/২০) উইকেট শিকারের উৎসবে যোগ দেন। সিকান্দার রাজা ও ব্লেসিং মুজারাবানি নেন একটি করে উইকেট।

 

১২তম ওভারে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। নাজমুল হোসেন শান্ত (২), সাকিব আল হাসান (১), জাকের আলী (৬) ও রিশাদ হোসেনরা (২) দলকে হতাশ করতে থাকেন।

 

রান তাড়া করতে নেমে জোনাথন ক্যাম্পবেল (৩১), রায়ান বার্ল (১৯) ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার (১৯*) ব্যাটে ভর করে শেষ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল জিম্বাবুয়ে। যদিও বাংলাদেশের বোলারদের অভিজ্ঞতার কাছে শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি অতিথি দলের ব্যাটাররা। বিশেষ করে শীর্ষ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান (৪/৩৫) ও মুস্তাফিজুর রহমান (৩/১৯) আজ প্রথম মাঠে নেমেই ৭ উইকেট শিকার করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন। এছাড়া দুটি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।

 

চট্টগ্রামে প্রথম দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর তৃতীয় ম্যাচে লড়াই করে ৯ রানে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। আজ তারা হারল ৫ রানে।

 

আইপিএল ফেরত পেস বোলার মুস্তাফিজুর রহমান ও কৃতী অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আজ চতুর্থ ম্যাচে একাদশে ফিরেছেন। ফিরেই দলে নিজেদের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিলেন দুই কৃতী বোলার। এছাড়া লিটন দাসের জায়গা নেন সৌম্য সরকার। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করে সৌম্যও আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন।