পুরো কাতার বিশ্বকাপে নানা আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে রেফারি। কোয়ার্টার ফাইনালের দুই ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ফুটবলাররা নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা অকপটে জানিয়েছেন। ওই ম্যাচে স্প্যানিশ রেফারি অ্যান্তোনিও মাতিও লাহোজ কড়া হেডমাস্টারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। গড়েছেন বিশ্বকাপে কার্ড দেয়ার নতুন রেকর্ড। তার এ কার্যক্রমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মেসিসহ আর্জেন্টাইন খেলোয়াররা। এতেই নড়েচড়ে বসেছে ফিফা। এবার তাকে বিশ্বকাপ থেকে বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। কাতার বিশ্বকাপে আর কোনো ম্যাচ পরিচালনা করবেন না এ রেফারি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এক খবরে তারা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপ থেকে লাহোজকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। স্প্যানিশ এ রেফারি এবারের বিশ্বকাপে আর কোনো ম্যাচ পরিচালনা করবেন না।
জানা গিয়েছে, আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডস কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে রেফারি লাহোজ দুই দল মিলিয়ে ১৮টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা দলকেই দেখানো হয়েছে ১০টি হলুদ কার্ড। মাঠের খেলোয়াড়ের সঙ্গে কোচ, সাইড বেঞ্চের খেলোয়াড়, এমনকি পেনাল্টি করতে আসা ফুটবলারকেও হলুদ কার্ড দেখাতে ছাড়েননি।
মাঠে প্রবেশ করা খেলোয়াড়দের মোট ১৫টি কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি মাতিও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর কোনো ম্যাচে এত বেশি কার্ড দেখানোর রেকর্ড নেই। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০০২ বিশ্বকাপে ক্যামেরুন-জার্মানির ম্যাচে। সে ম্যাচে ১২টি হলুদ ও দুটি লালসহ মোট ১৪টি কার্ড দেখিয়েছিলেন দায়িত্বরত রেফারি। এছাড়া আরেকটি নোংরা ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নেদারল্যান্ডসের নাম। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে নুরেমবার্গে অনুষ্ঠিত পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডসের শেষ ষোলোর ম্যাচে ১৬টি কার্ড দেখাতে হয়েছিল রেফারিকে, সেদিন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল চারজনকে। সেই রেকর্ড এবার ভেঙে গেল লুসাইলে।










