ফ্রান্সের প্যারিসে ১৯৭৬ সালে যাত্রা করা ফিনসুইমিং সাঁতারুদের দক্ষতা ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এ কারণে খেলাটি ক্রমেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ২০১৭ সালে ভারতে শুরু হওয়া বিশেষায়িত এ সাঁতার বাংলাদেশেও বিস্তৃত পরিসরে যাত্রা করতে যাচ্ছে।
অতীতে বিভিন্ন সময় ফিনসুইমিং শুরুর বিষয়ে আলোচনা হলেও খেলাটি আলোর মুখ দেখেনি। আগামী বুধবার মিরপুর সৈয়দ নজরুল ইসলাম জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে শুরু হতে যাওয়া প্রথম জাতীয় ফিনসুইমিং প্রতিযোগিতা দিয়ে দেশে যাত্রা করবে খেলাটি।
বাংলাদেশ ফিনসুইমিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা এ নিয়ে বলেন, ফিনসুইমিংয়ে একজন সাঁতারু ৮০ শতাংশ কাজ করে পায়ের মাধ্যমে, বাকি ২০ শতাংশ হাতের মাধ্যমে। পায়ের মাধ্যমেই ফিনসুইমিং খেলতে হয় বলে খেলাটি মাংসপেশির উন্নতি ঘটায়। স্বাভাবিক সাঁতারুরা ফিনসুইমিংয়ে অংশগ্রহণ করলে এটি তাদের মাংসপেশির সক্ষমতা বাড়াবে।










