বিপর্যয় সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৭ উইকেটে ২৭১ রান তুলেছে টাইগারবাহিনী। ৬৯ রানের মাথায় ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলটিকে খাদের কিনারা থেকে তুলে এনেছেন এ দুজন ব্যাটসম্যান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যখন ৯৬ বলে ৭৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ততক্ষণে সপ্তম উইকেটের জুটিতে বিশ্ব ক্রিকেটে যুগ্মভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৪৮ রানের পার্টনারশিপে ভর করে লড়াই করার মতো স্কোর পেয়েছে সাকিব-লিটনরা। এটি ভারতের বিপক্ষে যেকোন উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি।

শুরুতে যেভাবে একের পর এক উইকেট হারাচ্ছিল, তাতে মনে হচ্ছিল দেড়শোর কোটা পেরুনোই অসম্ভব হবে। কিন্তু ক্রিকেট যে চির গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৯৬ বলে ৭৭ রান ও মেহেদী হাসান মিরাজের হার না মানা ৮৩ বলে ১০০ রানে ভর করে বড় পুঁজি পেয়ে গেছে বাংলাদেশ।

মেহেদী-মাহমুদউল্লাহর এ জুঁটি বাংলাদেশ দলের জন্য কেবল স্বস্তিই নয় বরং সপ্তম উইকেটে ওডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ দল। এর আগে সপ্তম উইকেট জুটিতে ২০১৫ সালে ১৭৭ রানের সর্বোচ্চ জুটি আছে জস বাটলার ও আদিল রশিদের। এরপরে এ অবস্থানে ২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৭৪ রানের রেকর্ড গড়েন। যা ছিল সপ্তম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ রেকর্ড। আজকের (৭ ডিসেম্বর) ম্যাচটিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে ১৪৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। যা ওডিআইয়ের চতুর্থ সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ। চলতি বছরের ৮ মার্চ নামিবিয়ার বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাশিল হামিদ ও কাশিল দাউদ সমানসংখ্যক ১৪৮ রানের রেকর্ড গড়েছিলেন।

এছাড়া ওডিআই ক্রিকেট ইতিহাসের ৪ হাজার ৪৯৬তম এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে ওডিআইতে ভারতীয় দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।