গলে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অসংখ্য রেকর্ড গড়ে ইনিংস ও ১০ রানের জয় তুলে নিল শ্রীলংকা। এটা টেস্টে সিংহলিজদের শততম জয়। ১৯৮২ সালে টেস্ট যাত্রা শ্রীলংকার। সেই থেকে ৩১১ ম্যাচ খেলে ১০০ জয় পেয়েছে সিংহলিজরা। হার ১১৯টি ও ড্র ৯২টি।

 

আইরিশদের ৪৯২ রানের জবাবে তিন উইকেটে ৭০৪ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে সিংহলিজরা। আজ শুক্রবার পঞ্চম ও শেষ দিন অতিথি দলটি দ্বিতীয় ইনিংসে ২০২ রানে গুটিয়ে গেলে বড় জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।  

 

ডাবল সেঞ্চুরি করেন নিশান মাদুক্ষা (২০৫) ও কুশল মেন্ডিস (২৪৫)। এছাড়া সেঞ্চুরি করেন দিমুথ করুনারত্নে (১১৫) ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস (১০০*)। টেস্ট ইতিহাসে এ নিয়ে মাত্র তৃতীয়বার শীর্ষ চার ব্যাটসম্যানই সেঞ্চুরি করলেন।

 

টেস্টে এ নিয়ে সপ্তমবার ৭০০ রান করল শ্রীলংকা। এটিও রেকর্ড। চারবারের বেশি এমন কীর্তি নেই আর কোনো দলের। তিন বা তারও কম উইকেট হারিয়ে ৭০০ করার তৃতীয় নজির এটি, যার মধ্যে শ্রীলংকারই দুটি। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন উইকেটে ৭৯০ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

মাদুক্ষা ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট ইনিংসেই করলেন ডাবল সেঞ্চুরি। তার আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৩৯। কুশলও পেয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। তার আগের সর্বোচ্চ স্কোর ১৯০। টেস্টে এক ইনিংসে শ্রীলংকার পক্ষে রেকর্ড ১১টি ছক্কা মারেন কুশল। আগের সর্বোচ্চ আটটি ছক্কা মারার রেকর্ড কুমার সাঙ্গাকারার, ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে রেকর্ডটি গড়েছিল তিনি।

 

রমেশ মেন্ডিস পাঁচটি, আসিথা ফার্নান্দেজ তিনটি ও প্রবথ জয়সুরিয়া দুটি উইকেট নিয়ে আইরিশদের ২০২ রানে আটকে দেন। হ্যারি টেক্টর ৮৫ ও অ্যান্ডি ব্যালবির্নি ৪৬ রান করেন। প্রবথ জয়সুরিয়া ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও কুশল মেন্ডিস ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছেন।

 

প্রথম টেস্ট ইনিংস ও ২৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছিল শ্রীলংকা। এ নিয়ে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে ছয় ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই হারল আয়ারল্যান্ড। এ মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশেও একমাত্র টেস্টে তারা হেরেছে। উল্লেখ্য, আগামী মাসের শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।