তাওহীদ হৃদয় ২৭ বলে হার না মানা ফিফটি করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। শেষ ৯ ওভারে জিততে ৮৮ রানের প্রয়োজন ছিল, স্বাগতিকরা তা তুলে নেয় ৭ ওভারে। এ জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল লিটন দাসের দল।
আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে কিউইরা। জবাবে নেমে শুরুর দিকে জীবন পেয়ে সাইফ হাসানকে নিয়ে ওপেনিং জুটিতে দলকে ৪১ রান এনে দেন তানজিদ হাসান তামিম। দলকে ভিত গড়ে দিয়ে ষষ্ঠ ওভারে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ। তিনে নামা লিটন দাস সাবলীল ব্যাটিংয়ে ১৫ বলে ২১ রান করে দলের রানের গতি বাড়িয়ে দিয়ে যান। সেই গতিটা আরো বাড়িয়ে দেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন।
একটি পর্যায়ে ৭৭ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। তখন সাজঘরে ফিরে যান সাইফ হাসান, লিটন দাস ও তানজিদ হাসান। যদিও তাওহীদ ও ইমন ২৮ বলে ৫৭ রান তুলে দলকে চাপমুক্ত করেন। ১৪ বলে ২৮ রান করে ইমন আউট হয়ে যাওয়ার সময় দলের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। এরপর পঞ্চম উইকেটে শামীম হোসেনকে নিয়ে ২১ বলে ৪৯ রান যোগ করে দলের রাজসিক জয় নিশ্চিত করেন তাওহীদ। তিনি ২ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৩ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন শামীম।
১৫তম ওভারের শেষ বলে পঞ্চম উইকেটের পতন হয় নিউজিল্যান্ডের। তখন দলটির রান ছিল ১৩০। সেখান থেকে নিক কেলি ও জস ক্লার্কসনের দৃঢ়তায় দলটি পেয়ে যায় ১৮২ রানের ভালো সংগ্রহ। কেলি ২৭ বলে ৩৯ ও ক্লার্কসন ১৪ বলে ২৭ রান করেন।
আগামীকাল চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ও শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর—
নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৮২/৬ (ক্লার্ক ৫১, ক্লিভার ৫১, কেলি ৩৯, ক্লার্কসন ২৭; রিশাদ ২/৩২)। বাংলাদেশ: ১৮ ওভারে ১৮৩/৪ (তাওহীদ ৫১*, শামীম ৩১*, ইমন ২৮, লিটন ২১, তানজিদ ২০, সাইফ ১৭; ইস সোধি ২/৪০)। ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: তাওহীদ হৃদয় (বাংলাদেশ)।










