সিডনি ক্রিকেট
গ্রাউন্ডের একটি গেটের নাম ‘টেন্ডুলকার-লারা গেট’ রেখে ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি
শচীন টেন্ডুলকার ও ব্রায়ান লারাকে সম্মানিত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। আজ
টেন্ডুলকারের ৫০তম জন্মদিনে এই গেট উন্মোচন করা হয়েছে।
ক্রিকেট
অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, সফররত সব ক্রিকেট দল যে গেট দিয়েই সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঢুকবে
সেই গেটটির নামকরণ করা হয়েছে লারা-টেন্ডুলকার গেট।
এই মাঠে পাঁচ টেস্টে
১৫৭ গড়ে রান করেছেন টেন্ডুলকার। পরবর্তীতে তিনি বলেছেন, ভারতের বাইরে এটিই তার
সবচেয়ে প্রিয় ভেনু। আজ এক বিবৃতিতে টেন্ডুলকার বলেন, ‘১৯৯১-৯২ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে
অনেক স্মৃতি এই মাঠে রয়েছে আমার। এই মাঠে আমার ও আমার ভালো বন্ধু লারার নামে একটি
গেট হওয়ায় আমি ভীষণ সম্মানিত বোধ করছি।’
লারা ক্যারিয়ারের পঞ্চম
টেস্ট খেলেন সিডনিতে, যে টেস্টে তিনি প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পান। এই মাঠে তার
টেস্ট রানগড় ৫৪.৮৫, তার ক্যারিয়ার গড় ৫২.৮৮।
এক বিবৃতিতে
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী নিক হকলি বলেন, ‘ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তিকে
স্বীকৃতি দানের এই সিদ্ধান্ত যথার্থ ও সময়োপযাগী। এই মাঠে দুজনেরই রয়েছে
অবিশ্বাস্য রেকর্ড। এটা সফররত দলকে শুধু অনুপ্রাণিতই করবে না, বরং এমন দুই গ্রেটের
নামে তৈরি গেটের ভেতর দিয়ে হেটে যাওয়াটা তাদের জন্য বিরাট এক সুযোগ।’
সিডনি ক্রিকেট
গ্রাউন্ডে গেটের নামের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আরো তিন অজি গ্রেট। অস্ট্রেলিয়ান
ক্রিকেট দল খেলার মাঠে প্রবেশ করে স্যার ডন ব্র্যাডম্যান গেট দিয়ে। আর স্টেডিয়ামে
প্রবেশের গেট হলো আর্থার মরিস ও অ্যালান ডেভিডসনের নামে।
এটি অস্ট্রেলিয়ার
ঐতিহ্যহুল ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যেখানে রীতি মেনে বছরের প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়ে
থাকে।
টেন্ডুলকার ভারতের
হয়ে ২০০ টেস্ট খেলে ১৫ হাজার ৯২১ রান করেছেন, গড় ৫৩.৭৮। সেঞ্চুরিই করেছেন ৫১টি,
যার তিনটি সিডনিতে।
লারা খেলেছেন ১৩১
টেস্ট। টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪০০ রানের ইনিংস খেলার গৌরবের অধিকারী লারা।
২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪০০ করেছিলেন তিনি।
অনুভুতি প্রকাশ
করে লারা বলেন, ‘সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আমাদের অর্জনের স্বীকৃতি দেয়ায় আমি খুবই
সম্মানিত বোধ করছি, মনে হয় শচীনও। আমার নিজের ও পরিবারের বিশেষ কিছু স্মৃতি আছে এই
মাঠে।’










