বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ছয়টি দল চূড়ান্ত হয়েছে আগেই। দল কিনতে আগ্রহী কোম্পানিগুলো বোর্ডকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থ দিলেই তাদের নাম চূড়ান্ত করে ফেলা হবে। আগামী ২৭ ডিসেম্বর (সোমবার) অনুষ্ঠিত হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট। এমনটাই জানিয়েছেন, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।
আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে বিপিএল শুরু করার ইচ্ছা বিসিবির। সম্ভাব্য ফাইনাল ২০ ফেব্রুয়ারি। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের তিন ভেন্যুতে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগের অষ্টম আসরে থাকছে না কোনো আইকন ক্রিকেটার। ‘এ’ থেকে ’ই’ ক্যাটাগরি পর্যন্ত দেশি ও বিদেশি প্লেয়ারদের গ্রেডিং করা হবে। ‘এ’ গ্রেডে দেশিরা ৭০ লাখ আর বিদেশিরা ৭০ হাজার মার্কিন ডলার সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাবেন। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন দল ১ কোটি ও রানার্স আপ ৫০ লাখ টাকার প্রাইজমানি পাবে।
বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত ছয়টা দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। ছয়টি দলকে আমরা বলে দিয়েছি, অংশগ্রহণ মানি জমা দিতে। তারা হয়তো আজ-কালের মধ্যে টাকা জমা দিয়ে দেবে। যারা জমা দেবেন তাদের আমরা চূড়ান্ত করে ফেলবো। কেউ জমা না দিলে আরো যারা আগ্রহী ছিলেন, তাদের মধ্য থেকে বাছাই করবো।
করোনার সময়টাতে কোয়ারেন্টিন ইস্যু নিয়েও ভেবেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ইসমাইল হায়দার এ বিষয়ে বলেছেন, সরকারি নিয়ম যেটা আছে, সেভাবেই হবে সবকিছু। তবে স্থানীয় ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিন কিছুটা শিথিল করা হবে।
এই মুহূর্তে জাতীয় দল নিউজিল্যান্ড সফরে আছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি তাদের দেশে ফেরার কথা। দেশে ফিরেই খেলতে হবে বিপিএল। তবে কোনো ক্রিকেটার যদি বিশ্রাম নিতে চান, তাহলে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে আর্থিক দিক থেকে তাদের ক্ষতি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও জানান মল্লিক।










