টেস্ট ক্যারিয়ারে শেষ সিরিজ জয়ের কোনো সুযোগ নেই রস টেলরের। দুই টেস্টের সিরিজে প্রথমটিতে বাংলাদেশের কাছে আট উইকেটে হেরেছে নিউজিল্যান্ড। এখন সুযোগ আছে শুধু সিরিজ ভাগাভাগি করার। এজন্য জয়ের বিকল্প নেই কিউইদের সামনে। ক্রাইস্টচার্চে আজ ভোরে এরই মধ্যে শুরু হয়ে যাওয়া এই টেস্টে আরো একটি কারণে বিজয়ের হাসি হাসতে চায় নিউজিল্যান্ড। এটাই যে দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটার রস টেলরের শেষ টেস্ট ম্যাচ।
এটি টেলরের ১১২তম টেস্ট। ম্যাচটি খেলে নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলা ড্যানিয়েল ভেট্টোরির পাশে বসবেন তিনি। বিদায়ী ম্যাচে নামার দুদিন আগেই বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখেন নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ টেস্ট ব্যাটার। সিরিজ হার এড়াতে ও বিদায় স্মরণীয় করতে জিততে চান ম্যাচটি। গ্রাউন্ডসম্যানকে সঙ্গে নিয়ে উইকেটও পরখ করেন তিনি।
বিদায়ী টেস্ট ম্যাচ নিয়ে ৩৭ বছর বয়সী ব্যাটার বলেছেন, আমরা ১-০তে পিছিয়ে। জানি আমাদের কিছু আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। কিন্তু এটা সেই মাঠ, যেখানে আমরা জানি কীভাবে খেলতে যাচ্ছি এবং এখানে আমাদের অনেক সাফল্য আছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার সিদ্ধান্তের কথা জানান টেলর। টেস্ট সিরিজের পর অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মোট ছয়টি ওয়ানডে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকেই বিদায় জানাবেন পুরোপুরি।
৩৭ বছর বয়সী টেলর ১৭ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ৪৪.৭৬ গড়ে করেছেন ৭ হাজার ৬৫৫ রান। ১৯টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ৩৫টি হাফসেঞ্চুরি। ২৩৩ ওয়ানডেতে ৪৮.২০ গড়ে করেন ৮ হাজার ৫৮১ রান। একদিনের ক্রিকেটে ২১টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি রয়েছে ৫০টি হাফসেঞ্চুরি। ১০২টি টি২০ ম্যাচে ১ হাজার ৯০৯ রান এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের।
টেস্ট-ওয়ানডে দুই ফরম্যাটেই কিউইদের জার্সিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখেন ২০০৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। তার পরের বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট। পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই টেস্ট ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ২৯০ রানের ইনিংস খেলেছেন। ক্রিকইনফো










