শুধু আর্জেন্টিনা না, সারা ফুটবলবিশ্ব এখন ভাসছে 'মুচাচো'-এর সুরে। আজ
কাতার ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে এটাই যেন আর্জেন্টাইন ফুটবলের অঘোষিত
থিম সং। হাজারো মানুষ জড়ো হয়ে পতাকা উঁচিয়ে ধরে এই গান গাইছে, দৃশ্যটা এখন
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুবই পরিচিত।
গানের কথায় উঠে এসেছে ফকল্যান্ড দ্বীপের কথা, মেসি ও ম্যারাডোনার কথা। এসেছে দীর্ঘদিনের হতাশার পর ব্রাজিলকে কোপা আমেরিকায় হারানোর প্রসঙ্গ। পপ ব্যান্ড লা মস্কার গান অবলম্বনে তৈরি হয়েছে এর লিরিক। লিখেছেন ফারনান্দো রোমারো নামের এক ভক্ত। আর সাথে সাথে লাভ করেছে বিপুল জনপ্রিয়তা। সেই জনপ্রিয়তা এতোটা দূর গড়িয়েছে যে, খোদ মেসিও গেয়েছেন গানটি। করেছেন প্রশংসা।
৩৫ বছর বয়সী মেসির জন্য কাতার বিশ্বকাপই শেষতম বিশ্বকাপ। ফুটবলের রাজ্যে সব ধরণের পুরস্কার ঝুলিতে তোলার পরেও বিশ্বকাপের স্বপ্ন এখনো অধরাই। মেসির জন্যই এই আসরে বেশি মরিয়া আর্জেন্টিনা। শিবিরে যুক্ত হওয়া তরুণেরাও উজ্জীবিত। ভক্তরাও স্বপ্ন দেখছে ফ্রান্সকে পরাভূত করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের তকমা ছিনিয়ে নেয়ার। আসরের প্রথম থেকে তাদের জন্য গানটি হয়ে ওঠেছে অনুপ্রেরণা আর উৎসাহের দ্যোতনা। গানের লিরিক অনেকটাই এরকম-
আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ করেছি আমি,
যা দিয়োগো আর মেসির জন্মভূমি
মালভিনাস (ফকল্যান্ডের) সন্তান আমরা
কখনোই ভুলবো না এই আত্মপরিচয়।
কোনো ভাবেই কাউকে বুঝানো যাবে না
হেরে যাওয়া ফাইনালের স্মৃতি,
কতো বছর ধরে তার জন্য আহাজারি করছি
তবে সেই দিনের সমাপ্তি ঘটতে চলছে,
তরুণেরা ফের উল্লসিত।
তৃতীয়টি জিততে চাই
চাই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে
দেখতে পাচ্ছি, দিয়েগো রয়েছেন আকাশে
সাথে রয়েছেন ডন দিয়েগো আর লা তোতা
তারা উৎসাহ দিচ্ছেন মেসিকে।










