২০০৩-০৪ মৌসুমের পর এবার প্রথম উয়েফা ইউরোপা লিগ খেলতে নেমেছে বার্সেলোনা। কিন্তু গতকাল রাউন্ড-৩২ এ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ঘরের মাঠে সিরি-আ ক্লাব নাপোলির বিপক্ষে হোঁচট খেয়েছে তারা। ফিনিশিংয়ে ব্যর্থতার কারণে ১-১ ড্রয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় জাভি হার্নান্দেসের দলকে। প্রথমার্ধে পিওতর জিয়েলিন্সকির গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে ফেরান দলকে সমতায় ফেরান তোরেস।

আরেক ম্যাচে সেভিয়া ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে দিনামো জাগরেভকে। স্কটিশ ক্লাব রেঞ্জার্সের কাছে ৪-২ গোলে ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত হয়েছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। পোর্তোর বিপক্ষে ২-১ গোলে হারি লািসও। আরবি লাইপজিগ ও রিয়াল সোসিয়াদাদের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভরাডুবির পর ইউরোপা লিগে অবনমন হয় বার্সেলোনার। এখানেও শুরুতে ধুঁকছে বার্সেলোনা। বৃহস্পতিবার রাতে ক্যাম্প ন্যু’য়ে খেলতে নেমে দারুণ শুরু করে বার্সেলোনা। নাপোলির দিকে একের পর এক আক্রমণ করে ভীতি ছড়ায় কাতালানরা। কিন্তু ফিনিশিংয়ে গিয়ে বরাবরের মতোই ব্যর্থ তারা। ২৮ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তরেস। অবামেয়াংয়ের পাস থেকে ডি-বক্সে বল পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি তিনি। পরের মিনিটে উল্টো এগিয়ে যায় নাপোলি। বক্স থেকে পিওতর জিয়েলিন্সকির প্রথম শট মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগের ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।

বিরতির পর খেলতে নেমেও ছন্দে থাকে বার্সেলোনা। তবে আগের মতো সেই ফিনিশিংয়েই উন্নতি করতে পারছিল না দলটি। শেষ পর্যন্ত ৫৯ মিনিটে সফলতা পায় কাতালানরা। নাপোলির বক্সে ডিফেন্ডারের হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। দারুণ স্পট কিকে দলকে সমতায় ফেরান তোরেস।

শেষদিকে এসেও ভালো কয়েকটি আক্রমণ করে বার্সেলোনা। ৭২ মিনিটে ভালো একটি আক্রমণ তৈরি করেও ডি-বক্সে গিয়ে অবামেয়াংকে খুঁজে নিতে ব্যর্থ হন ওসমান দেম্বেলে। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ড্রয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় জাভির শিষ্যদের। ২৫ ফেব্রুয়ারি নাপোলির মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে খেলবে বার্সা।