চট্টগ্রামের পর ঢাকা টেস্টেও দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্যারিয়ারের নিজের নবম শতক করতে মুশফিক খেলেছেন ২১৮ বল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৬০ রান। লিটন দাস ১২৭ ও মুশফিক ১০৮ রানে ব্যাট করছেন। দু’জনে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে স্কোর বোর্ডে জমা করেছেন ২৩৬ রান।
২০০৭ সালে কলম্বোয় এই শ্রীলংকার বিপক্ষে ষষ্ঠ উইকেটে ১৯১ রানের জুটি গড়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও মুশফিকুর রহিম। এতদিন পর্যন্ত সেটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি। কিন্তু আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেটে স্টেডিয়ামে সেই রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন মুশফিক ও লিটন দাস। শ্রীলংকার বিপক্ষে চলমান সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শুরুতে ২৪ রানে ৫ উইকেটে হারিয়ে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে লিটন-মুশফিক লিখেছেন ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দু’জনে করেছেন ২২৩ রান। আর এটিই হলো টেস্ট ক্রিকেটে এখন বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি।
আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ
রানের জুটি হলো বেন স্টোকস ও জনি বেয়ারস্টোর। ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে
কেপ টাউনে ৩৯৯ রানের জুটি গড়েছিলেন দু’জনে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ (সোমবার) শুরু
হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। টস জিতে প্রথম দিনের
ব্যাটিংয়ে নেমে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। দলীয় স্কোর বোর্ডে মাত্র
২৪ রান যোগ করতেই স্বাগতিকরা হারায় ৫ উইকেট। প্রথম সেশনের মাত্র ৭ ওভারের মধ্যে
উইকেটগুলো তুলে নিয়েছেন দুই শ্রীলংকান পেসার কাসুন রাজিথা ও আসিথা ফার্নান্দো।
রাজিথা তিনটি ও ফার্নান্দো দুটি উইকেট নিয়েছেন। সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে আগে
ব্যাটিংয়ে নেমে জয়,
তামিম ও সাকিব সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে।
নাজমুল হোসেন শান্ত ৮ ও মুমিনুল হক আউট হয়েছেন ৯ রানে।
এ টেস্টে বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন নিয়ে
নেমেছে। চোটের কারণে দ্বিতীয় টেস্ট নেই পেসার শরিফুল ইসলাম ও অফ স্পিনার নাঈম
হাসান। তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও পেসার এবাদাত
হোসেন। প্রায় আড়াই বছর পর টেস্টে দলে ফিরেছেন মোসাদ্দেক। সর্বশেষ ২০১৯ সালের
সেপ্টেম্বরের শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলেন তিনি।










