বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে সোমবার। এটা দুই দলের মধ্যকার সপ্তম টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রায় ৫ মাস পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নামছে বাংলাদেশ দল। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল। ফলে এ বছর খুব বেশি টি-টোয়েন্টি নেই টাইগারদের। শক্তিশালী কিছু দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আছে। অধিনায়ক লিটন দাস মনে করেন, এসব সিরিজ তার দলটাকে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সোমবার প্রথম ম্যাচ শুরু দুপুর ২টায়।

আজ রোববার চট্টগ্রামে ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘অনেকদিন পর আমরা আবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট খেলছি। প্রথম দিকে আমরা কোনো বাড়তি চাপ দিতে চাচ্ছি না। দুই-একটা ম্যাচ খেললে যে যার জায়গা থেকে অটোমেটিক বুঝতে পারবে। কারণ এখানে সেটআপেরও বিষয় আছে। ভালো দিক হলো, এই বছরের তিনটি সিরিজই ভালো দলের সঙ্গে এবং ব্যাক টু ব্যাক সিরিজ আছে। এটা একটা ইতিবাচক ব্যাপার যে, একবার খেললে পরের সিরিজটাও আমাদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যাবে।’

tigers 26

সংবাদ সম্মেলনে গত বিশ্বকাপ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন লিটন। ক্রিকেটাররা খেলতে চাইলেও বোর্ড ও সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে তাদের কিছু করার ছিল না। ফলে দর্শক হয়ে থাকতে হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপের সেই ট্রমা থেকে ক্রিকেটাররা বের হতে পেরেছেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, অবশ্যই মুভ অন করেছে। কারণ বিশ্বকাপের সময়টাতেও আমরা একটা টুর্নামেন্ট খেলেছি, যেখানে ছেলেরা ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, আন্তর্জাতিক ম্যাচ প্রত্যেকটি ক্রিকেটারের জন্য জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় তারা ওভাবেই চিন্তা করবে এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য যে জয়ী মানসিকতাটা দরকার, সেটা নিয়েই মাঠে নামবে।’

২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে এগোতে চায় বাংলাদেশ। তাইতো টোয়েন্টিতে দলের সবচেয়ে বড় তারকা মুস্তাফিজুর রহমান ও অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। পেস তারকা নাহিদ রানাকেও রাখা হয়নি। তিন তারকার জায়গায় ডাকা সুযোগ দেয়া হয়েছে পেসার রিপন মন্ডল ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে।

টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ২০ বারের মুখোমুখিতে মাত্র ৪টি জয় পেয়েছে বাংলাদেশ, আর নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১৫টি; বাকি একটি ছিল ফলহীন। দুই দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ছয়টি সিরিজ হয়েছে। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড চারটি ও বাংলাদেশ একটি জিতেছে; একটি সিরিজ ড্র হয়। বাংলাদেশের মাঠে দুটি সিরিজের মধ্যে উভয় দল একটি করে সিরিজ জিতেছে। বাংলাদেশের মাঠে ছয় ম্যাচের মধ্যে উভয়ে তিনটি করে জয় পেয়েছে।