বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসরে ষষ্ঠ ম্যাচে এসে দেখা মিলল প্রথম সেঞ্চুরির এবং এক ম্যাচেই হলো দু দুটি সেঞ্চুরি। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে খুলনা টাইগার্সের হয়ে সেঞ্চুরি করেন পাকিস্তানি গ্রেট মঈন খানের পুত্র আজম খান। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ৫৮ বলে ১০৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে খুলনাকে ৫ উইকেটে ১৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দেন এই ডানহাতি ব্যাটার। পরে আরেক পাকিস্তানি উসমান খান ৫৮ বলে ১০৩ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে চট্টগ্রামকে জিতিয়েছেন ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

 

৯টি চার ও ৮টি ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী আজম খান। সেঞ্চুরির পথে তিনি তামিম ইকবালকে নিয়ে ৬২ বলে ৯২, সাব্বির রহমানকে নিয়ে ২১ বলে ৩৭ ও ওয়াহাব রিয়াজকে নিয়ে ৮ বলে ২৪ রান যোগ করেন তিনি।

 

পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনটি আন্তর্জাতিক টি২০ খেলে তেমন কিছুই করতে পারেননি আজম খান। ৩ ম্যাচে করেছেন ৬ রান, সর্বোচ্চ ৫! তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রমেই নিজেকে মেলে ধরছেন তিনি। ৯২টি টি২০ ম্যাচে ১০টি হাফসেঞ্চুরি ছিল তার, সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৮৮। এবার তিনি পেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম টি২০ সেঞ্চুরি। তাও দুর্দান্ত স্টাইলে। তার শিরায় যে বইছে বিখ্যাত ক্রিকেটার মঈন খানের রক্ত। বাবার ততোই মারমুখী ব্যাটিং করে থাকেন তিনি।

 

যদিও খুলনার হারে বিফলেই যায় আজম খানের সেঞ্চুরিটি। তার স্বদেশী উসমান খান ১০টি চার ও ৫টি ছক্কায় সেঞ্চুরি করে জিতিয়েছেন চট্টগ্রামকে। এছাড়া ডাচ ব্যাটার ম্যাক্স ও’ডাউড করেন ৫০ বলে ৫৮ রান। ও’ডাউডকে নিয়ে ওপেনিং জুটিতে ৯১ বলে ১৪১ রান তুলে নিয়ে উসমান খানই চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক। 

 

এর আগে চলতি বিপিএলে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল ৬৭ রানের (রনি তালুকদার ও সাকিব আল হাসান)। এছাড়া হাফসেঞ্চুরি রয়েছে আরো তিনটি। এবার সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন আজম খান।