কাতার বিশ্বকাপে দুজনই এসেছিলেন শিরোপার দাবিদার হিসেবে। দলের হয়ে দুজনই জাদু দেখিয়ে মুগ্ধ করেছেন ফুটবল ভক্তদের। তবে মেসির হাত শিরোপা স্পর্শ করলেও এমবাপ্পেকে সন্তুষ্ট থাকতে হলো গোল্ডেন বুট নিয়ে। পঁয়ত্রিশের মেসির কাছে হেরে গেলেন মাত্র চব্বিশ বছরে পা দেয়া এমবাপ্পে। তবে এরই মধ্যে এটা স্পষ্ট, এই তরুণ সামনের দিনগুলোতে অনেক চমক দেখাবেন। তিনি ফুটবল দুনিয়ায় এসেছেন আগামী দিনগুলোতে শাসন করার জন্য।
২০১১ সালে মেসি চব্বিশ বছর বয়সে পদার্পণ করেন। এরই মধ্যে তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বিজয়ের পাশাপাশি তিনটি ব্যালন ডি'অর তার নামের পাশে। লা লিগায় সেরা খেলোয়াড়, ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শো, ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ ট্রফিসহ একরাশ প্রাপ্তি খাতাতে। এমবাপ্পে সেদিক দিয়ে পেছনে থাকলেও বেশ কিছু জায়গায় মেসিকে ছাপিয়ে গেছেন। ৩৮০টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করে ২৬৫টি গোল ও ১৩৫টি অ্যাসিস্টের কৃতিত্ব তার ঝুলিতে। চব্বিশ বছর বয়সী মেসির তখন ৩২৬টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করে ১৯৭টি গোল ও ৮৪টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। মেসির যেখানে হ্যাটট্রিক ছিল ১০টি; সেখানে এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টিতে। জাতীয় দলের হয়ে মেসির আন্তর্জাতিক গোল ছিল ১৭টি আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল ৩৭টি। অন্যদিকে এমবাপ্পের আন্তর্জাতিক গোল ৩৬টি ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল ৪০টি।
এমবাপ্পের গতি, দক্ষতা আর বলের উপর নিয়ন্ত্রণক্ষমতা তাক লাগিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। তবে পথ পাড়ি দিতে হবে বহুদূর। এই ছন্দ ধরে রাখতে পারলে দ্রুত নতুন ইতিহাস দেখবে ভক্তরা। এমবাপ্পেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফাইনালের একদিন পর এক টুইটে তিনি লিখেন, 'আবার আসবো ফিরে'।










