রিয়াল মাদ্রিদে তারকার মেলা। এত সব তারকার ভিড়ে ব্রাজিলীয় সেনসেশন ১৮ বছর বয়সী এনদ্রিকের একাদশে সুযোগ পাওয়াই কঠিন। তাই ক্লাবটি তাকে অন্য কোনো ক্লাবে ধারে খেলতে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। যদিও বার্নাব্যুতেই থাকাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন ব্রাজিলীয় সুপারস্টার।
২০২২ সালে ৭২ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে ব্রাজিলের ক্লাব পালমেইরাস থেকে এনদ্রিককে সই করায় রিয়াল মাদ্রিদ। ওই সময় খেলোয়াড়টির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। ব্রাজিলীয় গ্রেট ভিনিসিয়ুস ও রদ্রিগোকেও প্রায় একই রকম চুক্তিতে সই করিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর গত গ্রীষ্মে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন এনদ্রিক। যদিও কার্লো অ্যানচেলত্তির অধীনে তিনি মাত্র ৮৪৭ মিনিট খেলেছেন। কোপা ডেল রে কাপে ছয় ম্যাচে পাঁচ গোল করলেও লা লিগায় তাকে খুব বেশি সুযোগ দেয়া হয়নি।
রিয়ালে ৯ নম্বর পজিশনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তিনি না থাকলেও সুযোগ মিলত না এনদ্রিকের। বরং ওই সময় অন্য কাউকে খেলাতেন অ্যানচেলত্তি। একটি সূত্র ইএসপিএনকে জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্কোয়াডে এনদ্রিককে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে অ্যানচেলত্তির। ইতালীয় কোচ মনে করেন, উন্নতি করতে চাইলে নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকতে হবে এবং সেটি করতে চাইলে রিয়াল ছেড়ে অন্য কোনো ক্লাবে ধারে খেলার সুযোগ নিতে হবে।
হ্যাঁ, নতুন কোচ হিসেবে জাভি আলোনসো আসার পরও এনদ্রিককে নিয়ে ক্লাবের অবস্থান হয়তো বদলে যাবে না। এ অবস্থায় বোর্ড ও টেকনিক্যাল স্টাফদের মধ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, স্প্যানিশ লিগের সঙ্গে যাতে মানিয়ে নিতে পারেন সেজন্য এনদ্রিককে লা লিগারই অন্য কোনো ক্লাবে ধারে খেলতে দেয়া হবে, যেখানে তিনি নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবেন।
এনদ্রিককে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও রিয়াল ম্যানেজমেন্ট মনে করেন, এনদ্রিকের চেয়ে বরং গঞ্জালো গার্সিয়া ক্লাবের জন্য বেশি কার্যকর হতে পারেন।
এক সপ্তাহ আগে ইএসপিএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সেন্টার স্ট্রাইকার হিসেবে জার্মানির স্টুটগার্ট থেকে জোসেলুকে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আলোনসো। যদিও জুনের ক্লাব বিশ্বকাপে গঞ্জালো গার্সিয়া অসাধারণ পারফর্ম করায় সব চিন্তা দূরীভূত হয় আলোনসোর, এখন গার্সিয়াকে দিয়েই সেন্টার স্ট্রাইকারের শূন্যতা পূরণ করবেন তিনি।
এনদ্রিকের ভবিষ্যৎ হয়তো অনিশ্চিত। তবে ক্লাবটি চাইলেই যে তিনি অন্য কোনো ক্লাবে ধারে খেলতে রাজি হবেন, বিষয়টি তেমন নয়। তিনি এতে আগ্রহী নন এবং তার কাছে উদাহরণও আছে। রেইনিয়ার ও লুকা জোভিচরা ধারে খে লতে গিয়ে সফল হননি, অথচ ভিনিসিয়ুস কিংবা আরদা গুলার ভালদেবেবাসে থেকে গিয়েই পরবর্তী সময়ে দলে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিতে সমর্থ হন।










