পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে বাংলাদেশকে ৩৩২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে উঠে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতকে ঘরের মাঠে ২-১ এ হারানোর পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ ড্র, এবার ঘরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-০তে জয়। ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্রোটিয়ারা এখন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসের তলানিতে। ডারবানে ২২০ রানে হারের পর এবার ব্যবধান আরো বড়। অথচ আগামী মাসেই শ্রীলংকার বিপক্ষে হোম সিরিজ। এমন মুহূর্তে এই হার দলকে মানসিকভাবে চূর্ণ করে দেবে নাতো?
আজ হার শেষে মুমিনুল বললেন, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ব্যাট ও বল হাতে দলগত নৈপুন্য দেখাতে পারিনি আমরা। অভিনন্দন দলটিকে। এটা হতাশার, তবে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
দলের বাটিং দৈন্য নিয়ে অধিনায়ক বলেন, এটা মূলত হয়েছে পার্টনারশিপ তৈরি করতে না পারার কারণে। শুরু থেকেই আমাদের পার্টনারশিপ তৈরির চেষ্টা করে যেতে হবে। আসলে শেষ দিকে আমরা নিজেরাই নিজেদের ওপর চাপ তৈরি করেছি।
পেসবান্ধব উইকেটের জন্য প্রস্তুতি নিলেও দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে এবার স্পিনে ধরাশায়ী বাংলাদেশ। এ নিয়ে মুমিনুল বললেন, এ নিয়ে আসলে কোনো অজুহাত নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমনটি হতেই পারে। আপনাকে চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। ভবিষ্যতে আমরা আমাদের ক্রিকেটটাতেই মনোযোগ দেব, এখানে যে ফল করেছি তা নিয়ে খুব বেশি ভাবার সুযোগ নেই। আমাদের ওয়ানডে সিরিজ জয়টা ইতিবাচক ছিল, টেস্টে জিততে না পারাটা কষ্টের।
১৬ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা মহারাজ। অথচ প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি কোনো উইকেটই পাননি। আজ ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণ মঞ্চে এ নিয়ে মহারাজ বললেন, ডারবানের প্রথম ইনিংসে উইকেট না পাওয়ার পর ডিন (এলগার) ও কোচ বৈঠক করলেন এবং বললেন, তুমি ঠিকঠাক করছো, তোমার সময় আসবে। দ্বিতীয় ইনিংসে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যে তোমার উইকেট আসবে। সেই থেকে আমি আর পেছনে ফিরে তাকাইনি।










