মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে ছয় জনের অভিষেক ঘটায় দক্ষিণ আফ্রিকা। একেবারেই নতুনে গড়া দলটি সিরিজের প্রথম টেস্টে ২৮১ রানে হেরে বসে। যদিও হ্যামিল্টনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অমন ভরাডুবির মুখে পড়ছে না অতিথি দলটি। এমনকি এই টেস্টটি তারা জিততেও পারে। লো-স্কোরিং এই টেস্টে আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিন কিউইদের ২৬৭ রানের টার্গেট ছুড়ে দিয়ে এক উইকেট তুলে নিয়েছে। শুক্রবার চতুর্থ দিন জিততে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন পড়বে ২২৭ রান, প্রোটিয়াদের চাই ৯ উইকেট।

 

প্রথম ইনিংসে ২৪২ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকা কিউইদের ২১১ রানে অলআউট করে দেয়। এরপর অতিথিরা দ্বিতীয় ইনিংসে নাটকীয়তার পর ২৩৫ রান করতে সমর্থ হয়। তাতে নিউজিল্যান্ড পায় ২৬৭ রানের টার্গেট। দলীয় ৪০ রানের সময় ওপেনার ডেভন কনওয়ে ডেন পিটের শিকার হন। টম ল্যাথাম ২১ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন মাঠ ছাড়েন।

 

হ্যামিল্টনে এই পিচে ২২৭ রান কিউইদের জন্য এখনো যথেষ্ট দূরই। এটা ঠিক, তরী তীরে নিয়ে যাওয়ার জন্য যোগ্য সব মাঝি তাদের আছে। আবার এই পিচই আশা দেখায় প্রোটিয়া বোলারদেরও।

 

কিউইদের জন্য আরো কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার সুযোগ এসেছিল প্রোটিয়াদের সামনে। যদিও ৩৩ রানে শেষ ৬ উইকেট হারালে বড় স্কোরের সুযোগ নষ্ট হয় তাদের।

 

১০৪ রানে ৪ উইকেট পতনের পর ডেভিড বেডিংহ্যাম (১১০) ও কিগান পিটারসেনের (৪৩) ব্যাটে ভর করে দুশো পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। যদিও এরপর পেস বোলিং সেনসেশন উইলিয়াম ও’রুর্কির পেস তোপের মুখে ২৩৫ রানেই শেষ অতিথি দলটি। রু’র্কি নেন ৩৪ রানে ৫ উইকেট।  

 

প্রোটিয়াদের এই আকস্মিক পতনে ম্যাচে টিকে থাকে কিউইরা। টম ল্যাথাম, কেন উইলিয়ামসন, রাচিন রবীন্দ্র আর উইল ইয়াংদের সামনে আজ দলকে জেতানোর চ্যালেঞ্জ।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৪২ ও ২৩৫। নিউজিল্যান্ড: ২১১ ও ৪০/১।