ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে
উঠেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। আজ রোববার ভোর রাতে আল খোরের আল বাইত
স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের হয়ে গোল করেন অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি ও অলিভিয়ার জিরু।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন পেনাল্টি থেকে একটি গোল করলেও আরেকটি পেনাল্টি মিস
করেন। বুধবার এই মাঠেই দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মরক্কোর মুখোমুখি হবে ফ্রান্স।
গতকাল ম্যাচের ১৭ মিনিটেই ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন রিয়াল
মাদ্রিদ মিডফিল্ডার চুয়ামেনি। বক্সের বাইরে থেকে নেয়া তার বুলেট গতির শট ফাঁকি দেয়
ইংল্যান্ডের গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডকে। প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকা ইংলিশরা ৫৪
মিনিটে হ্যারি কেনের পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে। বুকায়ো সাকাকে বক্সের মধ্যে ফেলে
দেয়া হলে পেনাল্টি পায় থ্রি লায়ন্সরা। স্পট-কিক থেকে
দুর্দান্ত গোল করেন কেন। উগো লরিস বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও কেন শন নেন তার ডান
দিকে। এই গোলে ওয়েন রুনিকে ছুঁয়ে ফেলেন কেন।
৭১ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ এসেছিল ইংল্যান্ডের। সাকার আদায়
করা ফ্রি কিকে শট নেন জর্ডান হেন্ডারসন, যাতে শক্তিশালী
হেড নেন মাগুইয়ার, যদিও বল অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রস্ট হয়। ৭৬ মিনিটে
উল্টো প্রান্তে উত্তেজনা। জিরুর ভলি ঠেকিয়ে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে রাখেন পিকফোর্ড।
যদিও পরের মিনিটে আবার সেই পিছিয়ে পড়া। হেডে গোল করে ফরাসিদের এগিয়ে নেন জিরু। বাম
প্রান্ত থেকে আতোয়াঁ গ্রিজম্যানের পাঠানো ক্রসে শক্তিশালী হেডে গোল করেন ফ্রান্সের
হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া
ইংল্যান্ড ৮৪ মিনিটে ম্যাসন মাউন্টের কল্যাণে দ্বিতীয় পেনাল্টি পেলেও তা থেকে গোল
করতে ব্যর্থ হন কেন। সেসঙ্গে ইংলিশদের ফেরার আশাও যেন শেষ হয়ে যায়।










