স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাস মাত্র তৃতীয় বোলার হিসেবে ৭ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়লেন তাসকিন আহমেদ। বিপিএলে আজ বৃহস্পতিবার দুর্বার রাজশাহীর এই বোলার ঢাকা ক্যাপিটালের ৭ ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন। ঢাকা এরপরও ৯ উইকেটে ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়েছে।
প্রথম তিন ওভারের মধ্যে দুই ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ হাসানকে আউট করেন তাসকিন। মাঝে স্টিফেন এস্কিনাজিকে (২৯ বলে ৪৬ রান) আউট করেন হাসান মুরাদ, আর থিসারা পেরেরা সাজঘরে ফেরেন মোহর শেখের শিকার হয়ে। পরের স্পেলে বোলিংয়ে এসে শাহাদাত হোসেন দিপু (৪১ বলে ৫০), চতুরঙ্গা ডি সিলভা, আলাউদ্দিন বাবু, মুকিদুল ইসলাম ও শুভাম রাঞ্জানিকে আউট করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার তাসকিন।
ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি মিলে এর আগে ৭ উইকেট শিকারের কীর্তি আছে মাত্র দুজনের। ২০২৩ সালে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে চীনের বিপক্ষে ৮ রানে ৭ উইকেট শিকার করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন মালয়েশিয়ার সিয়াজরুল ইদরুস। তিনি ভাঙেন ডাচ খেলোয়াড় কলিন অ্যাকারম্যানের রেকর্ড। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের ভাইটালিটি ব্লাস্ট ক্রিকেটে বার্মিংহাম বিয়ার্সের বিপক্ষে ১৮ রানে ৭ উইকেট নেন লেস্টারের এই খেলোয়াড়। এই দুজনের পরই নিজের নামটি আজ লিখিয়ে নিলেন তাসকিন।
এটা বিপিএলেরও সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। ২০২০ সালে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে ১৭ রানে ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির। তার রেকর্ড ভেঙে একাদশ বিপিএলে বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়লেন তাসকিন। ৬ কিংবা তার বেশি উইকেট শিকারের নজির এই দুটিই। ৫ উইকেট নেয়ার নজির আছে ২০ বার।
এর আগে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ৩১ রানে ৫ উইকেট ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৬ রানে ৪ উইকেট ছিল তাসকিনের সেরা বোলিং। আজ নিজের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়লেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০ রানে ৬ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব আছে মুস্তাফিজুর রহমানের। এছাড়া ক্যারিবিয়ান লিগে ৬ রানে ৬ উইকেট শিকারের কীর্তি আছে সাকিব আল হাসানের। আজ এই দুজনকেই টপকে গেলেন তাসকিন।
আজ প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেট নিয়ে ইতিহাস গড়ার সুযোগ ছিল তাসকিনের সামনে। যদিও মুস্তাফিজুর রহমান একটি বল ঠেকিয়ে দিয়ে তাসকিনকে এই রেকর্ড গড়তে দেননি মুস্তাফিজ।










