আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের প্রস্তুতি সারল দক্ষিণ
আফ্রিকা। আগামী বৃহস্পতিবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে
অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে প্রোটিয়ারা।
আহমেদাবাদে আজ টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ২৪৪ রানে অলআউট আফগানিস্তান।
১১৬ রানে ৬ উইকেট পতন হলে আজমতুল্লাহ ওমরজাই ৯৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে দলকে
লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন। এরপর আফগান বোলাররা ১৮২ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়াদের
পরীক্ষার মুখে ফেলেন। যদিও আটকানা যায়নি তারকাখচিত দলটিকে। রাসি ফন ডার ডুসেন (৭৬*)
ও আন্দিলে ফেহলুকায়োর (৩৯*) ব্যাটে ১৫ বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে তারা। এর আগে
কুইন্টন ডি কক ৪১, এইডেন মার্করাম ২৫, ডেভিড মিলার ২৪ ও তেম্বা বাভুমা ২৩ রান
করেন। মোহাম্মদ নবি ও রশিদ খান দুটি করে এবং মুজিব উর রহমান একটি উইকেট নেন।
স্পিনার তারবাইজ শামসিকে বসিয়ে আজ একাদশে ফেরানো হয় পেসার জেরাল্ড কোয়েৎজিকে।
ফিরেই তিনি ৪৪ রানে ৪ উইকেট শিকার করে আফগানদের বড় ক্ষতি করেন। চলতি বিশ্বকাপে ১৮
উইকেট শিকার করে তালিকার তিনে উঠে গেলেন তিনি। এক বিশ্বকাপ এত বেশি উইকেট আগে কখনো
দক্ষিণ আফ্রিকার কেউ পাননি। শ্রীলংকার দিলশান মাদুশঙ্কা ২১ ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম
জাম্পা ২০ উইকেট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছেন।
এছাড়া স্পিনার কেশব মহারাজ ১০ ওভারে মাত্র ২৫ রানের খরচায় নেন ২টি
উইকেট নেন। লুঙ্গি এনগিডি ২ উইকেট নিলেও ছিলেন বেশ খরুচে বোলার। তিনি দেন ৬৯ রান।
৪১ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও গত ম্যাচের
সেঞ্চুরিয়ান ইব্রাহিম জাদরান আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে আফগানরা। মিডল অর্ডারের ভরসা
হাশমতুল্লাহ শহিদি, রহমত শাহ, ইকরাম আলিখিল ১১২ রানের মধ্যে নেই। দলের বিপদের সময়
রশিদ খানকে নিয়ে ৪৪, নূর আহমাদকে নিয়ে ৪৪, মুজিব-উর-রহমানকে নিয়ে ২২ ও
নবীন-উল-হককে নিয়ে ১৮ রানের জুটিতে দলের সংগ্রহ আড়াইশর কাছাকাছি নিয়ে যান আজমত।
সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন আজমত। যদিও শেষ দুই বল থেকে তিনি
কোনো রান তুলতে ব্যর্থ হলে ৯৭ রানেই আটকে যান।










