তেম্বা বাভুমা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এরই মধ্যে খেলেন ৫৪টি টেস্ট। তাতে সেঞ্চুরি করেন মাত্র একটি। হাফসেঞ্চুরি ছিল ২০টি। কিন্তু নেতৃত্ব পেয়েই বদলে গেলেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি সিরিজেই নেতৃত্বভার পড়েছে তার কাঁধে। নেতা হিসেবে প্রথম টেস্টে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় টেস্টে ১৭২ রানের অনবদ্য এক সেঞ্চুরি করলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে দলের বিপর্যয়ে হাল ধরলেন। তাতে প্রোটিয়ারা প্রতিপক্ষকে ৩৯১ রানের বড় টার্গেট দিতে সমর্থ হয়। 

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে করা ৩২০ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৫১ রান তুলতে সমর্থ হয়। প্রোটিয়ারা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে ৮ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারায়। এরপর দলীয় ১০৩ রানের আগে এইডেন মার্করাম, রায়ান রিকেলটন ও হেনরিখ ক্লাসেনও ফেরেন সাজঘরে। তাতে কর্তৃত্বপূর্ণ অবস্থান থেকে সহসাই বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তখনই চওড়া হয় বাভুমার ব্যাট। তিনি উইয়ান মুলডারকে নিয়ে ১০৩, সাইমন হারমারকে নিয়ে ৭১, রায়ান রিকেলটনকে নিয়ে ৩৭ ও ক্লাসেনকে নিয়ে ৩৪ যোগ করেন।

সাত বছর পর তিন অংক ছুঁয়েছেন বাভুমা। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন প্রথম সেঞ্চুরি। তৃতীয় দিন তার দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ৭ উইকেটে ২৮৭ রান তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্রোটিয়ারা। গতকাল চতুর্থ দিন নামের পাশে আর এক রান যোগ করে তিনি আউট হয়ে যান। এরপর প্রোটিয়ারাও দ্রুত অলআউট হয়ে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাইল মায়ার্স ও জেসন হোল্ডার তিনটি করে এবং আলজারি জোসেফ দুটি উইকেট নেন। 

বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১০৬ রানে গুটিয়ে গিয়ে ২৮৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জেরাল্ড কোটজি তিনটি ও হারমার তিনটি করে এবং কাগিসো রাবাদা ও কেশব মহারাজ দুটি করে উইকেট নেন। প্রোটিয়ারা সিরিজ জিতেছে ২-০ ব্যবধানে। ১৬ মার্চ শুরু হবে দুই দলের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজ।