নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে এবারই প্রথমবার খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি টাইগ্রেসদের। লড়াই করেও রবিন রাউন্ড পর্বে প্রথম দুই ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। অবশেষে তৃতীয় ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছে নিগার সুলতানাবাহিনী। আজ হ্যামিল্টনে পাকিস্তানকে ৯ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে ফারজানা হকের হাফসেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩৪ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জবাবে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৫ রান করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল। সেঞ্চুরি করেও দলের হার এড়াতে পারেননি পাক ওপেনার সিদরা আমিন।
২৩৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে পাকিস্তানকে ওপেনিং জুটিতে ভালো শুরু এনে দেন সিদরা আমিন ও নাহিদা খান। দু’জনে জুটিতে তোলে ৯১ রান। নাহিদাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন লেগস্পিনার রুমানা আহমেদ। আউট হওয়ার আগে নামের পাশে জমা করেন ৪৩ রান। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক বিসমাহ মারুফকে নিয়ে নতুন করে জুটি বড় করার চেষ্টা করেন সিদরা। এ জুটি তোলে ৬৪ রান।
১৫৫ রানে বিসমাহকে ব্যক্তিগত ৩১ রানে সাজঘরে ফেরান জাহানারা আলম। তখন পর্যন্ত জয়ের পথেই ছিল পাকিস্তান। এরপরই পথ হারায় দলটি। লেগস্পিনার ফাহিমা খাতুনের ঘূর্ণিতে আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে প্রতিপক্ষে ব্যাটাররা। ছয় ব্যটার দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাতে পারেননি। তবে একপ্রান্ত আগলে সেঞ্চুরি তুলে নেন সিদরা। ১৪০ বল মোকাবেলায় ১০৯ রান করে রান আউট হন এই ওপেনার।
বাংলাদেশের হয়ে ফাহিমা তিনটি ও রুমানা দুটি উইকেট নেন।
এর আগে টস জিতে বাংলাদেশ আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন ফারজানা হক। ১১৫ বলে ৭১ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার। ইনিংসটি সাজিয়েছেন পাঁচটি চারের বাউন্ডারিতে। এছাড়া শারমিন আখতার ৪৪, নিগার সুলতানা ৪৬, রুমানা ১৬ ও শামিমা ১৭ রান করেন। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে নাশরা সানধু তিনটি উইকেট নেন।










