ইউরোপের পাঠ চুকিয়ে ফিরেছিলেন শৈশবের ক্লাব উরুগুয়ের ন্যাসিওনালে। সেখানে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি নাম লেখালেন ব্রাজিলের ক্লাব গ্রেমিওতে। ক্লাবটির সঙ্গে তার দুই বছরের চুক্তি হয়েছে। ব্রাজিলের স্থানীয় সময় বুধবার পোর্তো অ্যালেগ্রের ক্লাব অ্যারেনায় গ্রেমিওর অন্তত ৩০ হাজার সমর্থক স্বাগত জানায় সুয়ারেজকে। পরে সংবাদমাধ্যমকে সুয়ারেজ জানান, গ্রেমিওতে আসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে তাকে সাহায্য করেছেন লিওনেল মেসি।
২০০৫-০৬ মৌসুমে ন্যাসিওনাল দিয়ে সিনিয়র ফুটবলে যাত্রা করা সুয়ারেজ ইউরোপের আয়াক্স, লিভারপুল, বার্সেলোনা, অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মতো বড় বড় ক্লাবে খেলেছেন। গ্রেমিও হতে যাচ্ছে সুয়ারেজের ক্যারিয়ারের অষ্টম ক্লাব।
এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় খেলেছেন বার্সেলোনায়। ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কাতালানদের জার্সিতে ১৯১ ম্যাচ খেলে করেছেন ১৪৭ গোল। বার্সায় তখন মেসি, নেইমার ও সুয়ারেজকে নিয়ে তৈরি হয় স্বপ্নের আক্রমণভাগ ‘এমএনএস’ ত্রয়ী। ওই সময়ই বার্সেলোনার সুপারস্টার লিওনেল মেসির সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব হয় সুয়ারেজের। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই পরে দুজন হোটেল ব্যবসায় একত্রে বিনিয়োগও করেন। দুজনের সেই বন্ধুত্ব এখনো টিকে আছে। পারিবারিক যেকোনো অনুষ্ঠানেই দুই পরিবারকে দেখা যায়।
বিশ্বকাপ জয়ের পর সপরিবার আর্জেন্টিনায় ছুটি কাটান মেসি। ওই সময় সুয়ারেজও পরিবার নিয়ে মেসির বাড়িতে বেড়াতে যান। মেসির বাড়িতেই গ্রেমিওর ব্যাপারে আলোচনা হয় এবং মেসির পরামর্শ নিয়ে গ্রেমিওকে ‘হ্যাঁ’ বলেছেন সুয়ারেজ। তার কথায়, বন্ধুরা সবসময়ই সাহায্য করে, কখনো উপদেশ দিয়ে, কখনো বা আমার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। বন্ধুদের বেলায় এমনটিই ঘটে।
৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার বলেন, আমি কিন্তু আর আগের মতো নেই। কিন্তু এটা তো সম্ভব, গোলপোস্ট থেকে ৫০ মিটার দূরে মুভের পর কোনো সতীর্থ আমার কাছ থেকে বল পেয়ে উপকৃত হতে পারে, এটা তো দলগত খেলা।
২০২১ সালে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগ থেকে অবনমিত হয়ে যায় গ্রেমিও, যারা তিনবারের মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এই জায়ান্টরা আবার ফিরেছে শীর্ষ লিগে। মার্কা










