দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে মাত্র দুটি টেস্ট খেলেছেন সাকিব আল হাসান এবং দুটি সেই ২০০৮ সালে। ওই দুটি টেস্টেও বলার মতো তেমন পারফর্ম করতে পারেননি। এরপর ২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট সিরিজ থেকে তিনি ছুটি নেন। আসন্ন সিরিজের জন্যও ছুটি চেয়েছিলেন সাকিব, তার ছুটি মঞ্জুরও করেছিল বোর্ড। যদিও অনেক নাটকীয়তার পর গতকাল সাকিব জানালেন, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছেন, খেলবেন দুটি সিরিজই।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ টেস্টে ২০.৩০ গড়ে ২০৩ রান করার পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন ১৩টি। আর দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি টেস্ট খেলে মাত্র ৪৬ রান করেছেন, উইকেট নিয়েছেন ১১টি।

সাকিব দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেছেন ১৪টি ওয়ানডে; ৩৯৭ রান করেছেন, উইকেট নিয়েছেন ১৩টি। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলেছেন ৫টি ওয়ানডে; করেছেন ১৬৫ রান, উইকেট নিয়েছেন চারটি। দক্ষিণ আফ্রিকায় চারটি টি২০ ম্যাচ খেলে সাকিব রান করেছেন মোটে ৩৮, উইকেট নিয়েছেন ছয়টি। সব মিলিয়ে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টি২০ খেলেছেন ছয়টি, যাতে ৭২ রান করেছেন, উইকেট নিয়েছেন ৭টি।

বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার ৫৯ টেস্টে ৪০২৯ রান ও ২১৫ উইকেট, ২১৮ ওয়ানডেতে ৬৬৬০ রান ও ২৮২ উইকেট ও ৯৬ টি২০তে ১৯০৮ রান ও ১১৯ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখালেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ও দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে তার পারফরম্যান্স গড়পড়তা অন্য ক্রিকেটারের মতোই।

দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন পর্যন্ত তিনটি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ—২০০২, ২০০৮ ও ২০১৭ সালে। প্রথমবার সাকিবের অভিষেক হয়নি, দ্বিতীয়বার তিনি খেলেছেন, আর ২০১৭ সালে ছুটি নিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্টের সমান তিনটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে অবশ্য ওয়ানডে ম্যাচগুলো খেলেছেন সাকিব।