ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটার জাকির হাসান। গতকাল ২২৪ বলে ১০০ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন। রবিচন্দ্র অশ্বিনের বলটি ডিফেন্ড করতে গিয়ে স্লিপে বিরাট কোহলিকে ক্যাচ দিয়ে তিনি ফিরেছেন সাজঘরে। তবে এর আগেই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ আশরাফুল ও আবুল হাসান রাজুর পর টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি করা চতুর্থ বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান তিনি। আর অভিষেক ম্যাচে চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশী।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন বাইচান ছাড়া ওপেনার হিসেবে আগে অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করেননি কেউ। ১৯৭৫ সালে লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাইচান করেছিলেন অপরাজিত ১০৫ রান। এবার তার পাশে বসলেন ২৪ বছর বয়সী জাকির হাসান। তার আগে অভিষেক টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছেন মোট সাতজন। আর অভিষেক টেস্টে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা ১৫তম ব্যাটসম্যান হলেন জাকির।
জাকিরের ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরির পরও অনিশ্চিত গন্তব্যে বাংলাদেশ। ৫১৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ বিনা উইকেটে ৪২ রান নিয়ে গতকাল চতুর্থ দিন ব্যাটিংয়ে নামে। উদ্বোধনী জুটিতে নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকির ১২৪ রান তোলেন। এরপর শান্তকে (১৫৬ বলে ৬৭) ফিরিয়ে পেসার উমেশ যাদব জুটি ভাঙেন। এরপর ইয়াসিরকে ব্যক্তিগত ৫ রানে বোল্ড করেন অক্ষর প্যাটেল।
এরপর সেঞ্চুরি তুলে নেন জাকির। একটি পর্যায়ে দল ২ উইকেটে ১৭৩ রানে পৌঁছে যায়। যদিও লিটন কুমার দাস একের পর এক ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। কুলদীপ যাদবের বলে লং-অনে উমেশকে ক্যাচ দেন তিনি।
চা বিরতির পর সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বিদায় ঘটে জাকিরের। এরপর এক ওভারে মুশফিকুর রহিম ও নুরুল হাসানকে সাজঘরে ফেরান অক্ষর প্যাটেল, তাতে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৬ উইকেট পতনের পর হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন ১৪ ওভার খেলে বোর্ডে ৩৪ রান যোগ করে অবিচ্ছিন্ন থেকে মাঠ ছাড়েন। সাকিব ৬৯ বলে ৪০ ও মিরাজ ৪০ বলে ৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন।










