বেঙ্গালুরুতে বৃহস্পতিবার শ্রীলংকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের জয়ে
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সেমিফাইনালের সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধু
গৌরবের জন্যই জয় চাইবে দল দুটি। এই লক্ষ্যে আজ শুক্রবার আহমেদাবাদে দক্ষিণ
আফ্রিকার বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ২৪৪ রানে অলআউট হয়েছে
আফগানিস্তান। ১১৬ রানে ৬ উইকেট পতন হলে আজমতুল্লাহ ওমরজাই ৯৭ রানের হার না মানা
ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন।
স্পিনার তারবাইজ শামসিকে বসিয়ে আজ একাদশে ফেরানো হয় পেসার জেরাল্ড কোয়েৎজিকে।
ফিরেই তিনি ৪৪ রানে ৪ উইকেট শিকার করে আফগানদের বড় ক্ষতি করেন। চলতি বিশ্বকাপে ১৮
উইকেট শিকার করে তালিকার তিনে উঠে গেলেন তিনি। এক বিশ্বকাপ এত বেশি উইকেট আগে কখনো
দক্ষিণ আফ্রিকার কেউ পাননি। শ্রীলংকার দিলশান মাদুশঙ্কা ২১ ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম
জাম্পা ২০ উইকেট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছেন।
কোয়েৎজি ছাড়াও আজ স্পিনার কেশব মহারাজ ১০ ওভারে মাত্র ২৫ রানের খরচায়
নেন ২টি উইকেট নেন। লুঙ্গি এনগিডি ২ উইকেট নিলেও ছিলেন বেশ খরুচে বোলার। তিনি দেন
৬৯ রান।
৪১ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও গত ম্যাচের
সেঞ্চুরিয়ান ইব্রাহিম জাদরান আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে আফগানরা। মিডল অর্ডারের ভরসা
হাশমতুল্লাহ শহিদি, রহমত শাহ, ইকরাম আলিখিল ১১২ রানের মধ্যে নেই। দলের বিপদের সময়
রশিদ খানকে নিয়ে ৪৪, নূর আহমাদকে নিয়ে ৪৪, মুজিব-উর-রহমানকে নিয়ে ২২ ও নবীন-উল-হককে
নিয়ে ১৮ রানের জুটিতে দলের সংগ্রহ আড়াইশর কাছাকাছি নিয়ে যান আজমত।
সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন আজমত। যদিও শেষ দুই বল থেকে তিনি
কোনো রান তুলতে ব্যর্থ হলে ৯৭ রানেই আটকে যান।










