ঐতিহ্যবহুল অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টে ২৭১ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নামা ইংল্যান্ড হারল ১৪৬ রানের বড় ব্যবধানে। ফলে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজে ৪-০ ব্যবধানে হার নিয়ে দেশে ফিরতে হচ্ছে জো রুটের দলকে।


হোবার্টে আজ তৃতীয় দিন অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৫ রানে অলআউট করে দেয়া ইংলিশরা পায় ২৭১ রানের টার্গেট। রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ররি বার্নস ও জ্যাক ক্রলি ৬৮ রান তুলে দিলেও শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে শেষ ইংল্যান্ড! প্যাট কামিন্স, ক্যামেরন গ্রিন ও স্কট বোল্যান্ড সমান তিনটি করে উইকেট নেন।


অজিদের দাপটে মাত্র ১৩১২ বলেই শেষ হলো হোবার্ট টেস্ট। ১৯১০ সালের পর এটাই বলের হিসেবে (৪০ উইকেটের পতন হয়েছে) সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ম্যাচ।


অধিনায়ক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আটটি টেস্ট হারলেন জো রুট, যা কিনা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রায়ান লারার সমান। লারা আটটি ম্যাচ হেরেছেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। অতিথি দলের কোনো অধিনায়ক এ দুজনের চেয়ে বেশি ম্যাচ হারেননি।


হারের পর জো রুট বলেন, এটা সত্যিই কঠিন এক সফর ছিল। কখনো কখনো আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি, যদিও তা পুরো ম্যাচে করতে পারিনি। আমাদের এখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে যাতে পরে আর একই ভুল না করি। এটা সত্য যে আমাদের বোর্ডে আরো বেশি রান তুলতে হবে। কখনো কখনো আমরা বোলারদের লড়াই করার তেমন সুযোগ দিতে পারিনি। সব বিভাগেই আমরা পর্যুদস্ত হয়েছি, আর কৃতিত্ব অজিদের।


অজি দলনায়ক প্যাট কামিন্স বলেন, এটা পাগলাটে। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে এটা এমনই এক সিরিজ যা কিনা আপনার ডায়েরিতে দীর্ঘদিন লেখা থাকবে। ৪-০তে জেতা এই সিরিজ থেকে অনেক ইতিবাচক কিছু আমরা পেয়েছি। অধিনায়ক হিসেবে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।


এই ম্যাচে ১০১ রান করে সেরা খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। আর রান করে সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ও হেড।


সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া: ৩০৩ ও ১৫৫। ইংল্যান্ড: ১৮৮ ও ১২৪। ফল: অস্ট্রেলিয়া ১৪৬ রানে জয়ী। ম্যাচ ও সিরিজসেরা: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)। সিরিজ: অস্ট্রেলিয়া ৪-০তে জয়ী।