সেন্ট লুসিয়া টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রান করা বাংলাদেশ আজ শনিবার দ্বিতীয় দিন প্রথম সেশনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের চারটি উইকেট তুলে নিয়ে দারুণ সাফল্য দেখায়। মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ৪২ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৭ রান। জারমেইন ব্ল্যাকউড ২ ও কাইল মায়ার্স ৪ রানে ব্যাট করছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ৯৭ রানে পিছিয়ে ছিল ক্যারিবিয়ানরা।
শুক্রবার প্রথম দিন ১৯১ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল যখন ধুঁকছিল তখন ব্যাট হাতে দারুণ নৈপুন্য দেখান তরুণ শরিফুল ইসলাম। নবম উইকেটে এবাদত হোসেনকে নিয়ে ৩৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলের সংগ্রহটা দুশ পার হতে সাহায্য করেন এই বামহাতি ব্যাটার। ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও আলো ছড়ান শরিফুল। বিনা উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে আজ দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ শতরান তুলে নেয় ২৬তম ওভারে। ঠিক এই সময় জন ক্যাম্পবেলকে আউট করে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তিনি। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ একটি ও খালেদ আহমেদ দুটি উইকেট নিলে স্বাগতিকদের ভীষণ চাপে ফেলে দেয় সাকিব আল হাসানের দল।
ক্রেগ ব্র্যাথওয়েটকে নিয়ে ১০০ রানের দারুণ এক পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন ক্যাম্পবেল। দুজন যখন বিপজ্জনক হয়ে ওঠেন যখন এ জুটি ভাঙেন শরিফুল। তার বাউন্স করা গতির বল ক্যাম্পবেলের ব্যাট ছুয়ে আশ্রয় নেয় উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানের বিশ্বস্ত হাতে। আউট হওয়ার আগে ৭৯ বলে ৬ বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৫ রান করেন ক্যাম্পবেল।
এরপর সদ্যই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করা ব্র্যাথওয়েটকে বোল্ড করেন মিরাজ (১৩১/২)। পরের ওভারের প্রথম বলে রেইমন রেইফার (২২) ও শেষ বলে এনক্রুমাহ (০) বোনারকে সাজঘরে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণভাবে খেলা ফিরিয়ে আনেন খালেদ আহমেদ।
এর আগে লিটন কুমার দাসের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ২৩৪ রান তোলে বাংলাদেশ। এছাড়া তামিম ইকবাল ৪৬, নাজমুল হোসেন শান্ত ২৬, শরিফুল ২৬ ও এনামুল হক বিজয় ২৩ রান করেন। শরিফুল শেষ দিকে মাত্র ১৭ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ২৬ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলেন। ২১ রানে অপরাজিত থাকেন এবাদত। দুই টেল-এন্ডের দৃঢ়তায় বাংলাদেশ পায় ২৩৪ রানের পুঁজি।










