২০১৬ সালে পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে রানার্সআপ হয়ে প্রিমিয়ার লিগে উঠে আসে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। এরপর জামাল ভূঁইয়ার মতো তারকা ও নামি কোচকে নিজেদের তাঁবুতে নিয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তারা। এখনো লিগ না জিতলেও দেশের এলিট দলগুলোর একটি হয়ে ওঠে তারা। কিন্তু সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব আর ফুটবল খেলবে না!
গত বুধবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাছে লেখা চিঠিতে ফুটবলের সব কার্যক্রম থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্লাবটি। শুধু প্রিমিয়ার লিগেই নয়, সাইফের যে জুনিয়র দল আছে, তাদেরও আর ফুটবলে দেখা যাবে না।
সদ্যসমাপ্ত বিপিএলে তৃতীয় হয়েছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব, যা দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগে তাদের সেরা সাফল্য। গত মঙ্গলবারই কেবল শেষ হলো প্রিমিয়ার লিগ। লিগ শেষ হওয়ার দিনই ফুটবল থেকে সরে যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। বুধবার আসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
ফুটবলে নাম লিখিয়ে বিনিয়োগ না পাওয়া আর বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সাইফের সরে যাওয়ার কারণ বলে জানান কর্মকর্তারা। দলটির কর্ণধার শিল্পপতি তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, বিশ্বজুড়ে সবাই আর্থিকভাবে সমস্যায় রয়েছে। বোর্ড পরিচালকদের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, ফুটবলে কিন্তু আমরা পুরোটা দিতে পারছি না। ফুটবলের জাতীয় স্বার্থেও সেভাবে অবদান রাখা যাচ্ছে না। তাই ফুটবলীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে।
তবে স্থায়ীভাবে নন, সাময়িকভাবে ফুটবল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানান সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, পরিস্থিতি ভালো হলে আমরা আবার ফিরে আসতে পারি ফুটবলে। এর কোনো সময় নেই। বোর্ড পরিচালকরা যদি মনে করেন এখন ফেরা যায়, তখন ফেরা যেতে পারে। তবে আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ ও দ্বিতীয় বিভাগে আমাদের দল খেলছে না।
আগামী মৌসুমে ১২ দল নিয়ে হবে প্রিমিয়ার লিগ আসর। তবে সাইফ সরে দাঁড়ানোয় জটিলতায় পড়তে হচ্ছে পেশাদার লিগ কমিটিকে।
সাইফ পাওয়ারটেক গ্রুপের অর্থায়নে পরিচালিত হয়ে আসছিল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব।










