সিডনিতে আজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ডাকওয়ার্থ-লুইস আইনে ৩৩ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা
বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান। রোববার বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতলে তবেই সেমিফাইনালের সুযোগ
থাকবে বাবর আজমের দলের। তবে সেদিন ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিজ নিজ ম্যাচ জিতে গেলে
ছিটকে যাবে পাকিস্তান। ভারত শেষ ম্যাচে খেলবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ও দক্ষিণ
আফ্রিকার প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
আজ আগে ব্যাটিং করে শাদাব খান (২২ বলে ৫২) ও ইফতিখার আহমেদের (৩৫ বলে ৫১) হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ৯ উইকেটে ১৮৫ রান তোলে পাকিস্তান।
এরপর ফাস্ট বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৬ রানের মধ্যে কুইন্টন ডি কক ও রাইলি রুশোকে
ফিরিয়ে পাকিস্তানের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। তেম্বা বাভুমা ও এইডেন মার্করাম
ইনিংসটা মেরামত করছিলেন। তারা সংগ্রহটা টেনে নেন ৬৫ পর্যন্ত। অষ্টম ওভারে এই
দুজনকেই সাজঘরে ফিরিয়ে আরেকবার পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন শাদাব খান।
প্রোটিয়ারা ৯ ওভারে ৪ উইকেটে ৬৯ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে
যায়। বৃষ্টি থামলে যখন খেলা শুরু হয় তখন সংশোধিত টার্গেট পায় প্রোটিয়ারা। তাদের ১৪
ওভারে ১৪২ রানের টার্গেট দেয়া হয়। তার মানে, পরের ৫ ওভারে ৭৩ রান করার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে দলটি। কিন্তু এই
চ্যালেঞ্জে ব্যর্থ হয় তেম্বা বাভুমার দল।
শেষ ৫ ওভারে ১৪.৬ করে রান তুলতে গিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তারা। এ সময়
আরো ৫ উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা মাত্র ৩৯ রান তুলতে সমর্থ হয়। শাহিন পরে আরো একটি
উইকেট নেন। সঙ্গে নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম গতির ঝড় তুলে একটি করে উইকেট তুলে নেন।
ম্যাচসেরা হয়েছেন শাদাব খান।










