ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় এক মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন নারীদের টেনিসে বিশ্বের দুই নম্বর র‍্যাংকধারী খেলোয়াড় ও পাঁচবারের গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন ইগা সিয়ানতেক। তিনি এই সাজা মেনে নিয়েছেন এবং বড় ধরণের শাস্তি না পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

গত আগস্ট মাসে খেলার বাইরের সময় নেয়া নমুনায় হার্টের ওষুধ ট্রিমেটাজিডাইনে (টিএমজেড) পজিটিভ হন ২৩ বছর বয়সী ইগা। ওই সময় তিনি র‍্যাংকিংয়ের এক নম্বরে ছিলেন। ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ইন্টিগ্রিটি এজেন্সি (আইটিআইএ) অনুধাবন করতে চেয়েছে যে, ইগা ইচ্ছেকৃতভাবে ড্রাগ নেননি।

পোল্যান্ডে প্রক্রিয়াজাত করা মেলাটোনিন তিনি ব্যবহার করেছিলেন বিমান ভ্রমণ ও ঘুমজনিত কারণে। যদিও খেলোয়াড়দের জন্য নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় থাকা আছে মেলাটোনিনের কিছু উপাদান। ইগার ভুলটা বড় ধরণের নয় বলে তাকে লঘু দণ্ড দেয়া হয়েছে।

পোলিশ সুপারস্টার ইনস্টাগ্রামে বলেছেন, ‘গত আড়াই মাসে আমি আইটিআইএর কঠোর নিয়ম কানুনের মধ্য দিয়ে গেছি। আমার নমুনা পরীক্ষায় ড্রাগের সামান্যতম উপস্থিতি মিলেছে, আসলে এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাও ছিল না। এতে আমার সারাজীবনের কঠোর পরিশ্রম প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। আমার গোটা টিমকে মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এখন সবকিছু সতর্কভাবে ব্যাখ্যা করার পর আমি স্বস্তিতে রয়েছি এবং আমার ভালোবাসার জায়গায় ফিরতে পারছি।’

৪ ডিসেম্বরের পরই তিনি কোর্টে ফিরতে পারবেন।