পার্থে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে প্রথম তিন ইনিংসে কোনো দলই দুশ রানও তুলতে পারেনি। লো-স্কোরিং ম্যাচে দুশ উঠল একবারই—তাও ঝড়ো গতিতে। ২০৫ রানের টার্গেটটা মাত্র ২৮.২ ওভারেই ছুঁয়ে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া! অ্যাশেজে রান তাড়ায় দ্রুততম সেঞ্চুরি করে অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়েছেন ট্রাভিস হেড।
শুক্রবার প্রথম দিন দুই দলের ১৯ উইকেটের পতন ঘটে। মিচেল স্টার্কের (৭/৫৮) আগুন ঝরানো বোলিংয়ের মুখে ৩২.৫ ওভারে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে অজিরা পড়ে বেন স্টোকসদের গতি ঝড়ের মুখে। স্টোকস ২৩ রানে ৫টি, ব্রাইডন কার্স ৪৫ রানে ৩টি ও জোফরা আর্চার ১১ রানে ২টি উইকেট নেন।
৪০ রানের লিডটা কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশরা। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৬৪ রানে। এবারো অজি পেসে পুড়েছে তারা। স্কট বোল্যান্ড ৪টি, মিচেল স্টার্ক ৩টি ও ব্রেন্ডন ডগেট ৩টি উইকেট নেন।
আগের তিন ইনিংস বিবেচনায় ২০৫ রানের টার্গেটটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য কঠিনই হওয়ার কথা ছিল। যদিও এক ট্রাভিস হেড সমীকরণ বদলে দেন। ব্যাটারদের জন্য যে উইকেট বধ্যভূমি সেখানেই চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে তিনি মাত্র ৮৩ বলে ১২৩ রানের মারমুখী ইনিংস খেলে ৩০ ওভারের মধ্যেই জেতান অস্ট্রেলিয়াকে। ১৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ইনিংসটা সাজান বামহাতি এ ব্যাটার। এ পথে ৬৯ বলে করেন সেঞ্চুরি। অ্যাশেজের ইতিহাসে রান তাড়া করার সময় চতুর্থ ইনিংসে এটাই দ্রুততম সেঞ্চুরি।
১০ উইকেট নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার মিচেল স্টার্ক।
এ জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। ৪ ডিসেম্বর ব্রিসবেনে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। এরপর ১৭ ডিসেম্বর অ্যাডিলেডে তৃতীয়, ২৬ ডিসেম্বর মেলবোর্নে চতুর্থ ও ৪ জানুয়ারি সিডনিতে পঞ্চম ও শেষ টেস্ট শুরু হবে।










