দক্ষিণ আফ্রিকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি২০ লিগ চলার সময়ই সামনে এল নিউজিল্যান্ডের মাঠে দুই টেস্টের সিরিজ। ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তি ভেঙে জ্যেষ্ঠ ক্রিকেটাররা কেউই যেতে পারলেন না। ফলে নিউজিল্যান্ডগামী টেস্ট বহরে ডাক পেলেন একেবারেই নতুন আট খেলোয়াড়। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টেই অধিনায়কসহ অভিষেক হলো মোট ছয়জনের! ফল যা হওয়ার তাই। ২৮১ রানের বিশাল হারের মুখে পড়ল নেইল ব্র্যান্ডের দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দ্বিতীয় টেস্টটিও জিতে ২-০-তে সিরিজ নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা। 

১৯৩২ সালে প্রথমবার টেস্টে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের মাঠে সেই সিরিজটা জিতে নেয় প্রোটিয়ারা। এরপর প্রায় ৯০ বছর দেশে ও নিউজিল্যান্ডের মাঠে আধিপত্য করে এসেছে তারা। এবার খর্বশক্তির দল পাঠিয়ে নিউজিল্যান্ডকে দীর্ঘ লজ্জা এড়ানোর সুযোগ করে দিল দক্ষিণ আফ্রিকাই। 

মাউন্ট মঙ্গানুইতে বাজেভাবে হারলেও হ্যামিল্টনে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে অবশ্য ভালোই লড়াই করে প্রোটিয়ারা। প্রথম ইনিংসে ২৪২ রান করা অতিথিরা ২১১ রানে অলআউট করে দেয় স্বাগতিকদের। তারা দ্বিতীয় ইনিংসে বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ২৩৫ রান করতে সমর্থ হয়। তাতে নিউজিল্যান্ড পায় ২৬৭ রানের টার্গেট। প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন উইলিয়ামসন (১১৮ ও ১০৯)। এরপর হ্যামিল্টনেও হাসে তার ব্যাট। প্রথম ইনিংসে ৪৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৩ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে হারের শঙ্কা তাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দলকে দাপটে জেতান তিনি। 

সব মিলিয়ে ৪৯ টেস্টের লড়াইয়ে এটা কিউইদের সপ্তম জয়। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ২৬টি।