চট্টগ্রাম টেস্টে ফলো-অনের শঙ্কায় পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৪০৪ রানে অলআউট হওয়া ভারত আজ দ্বিতীয় দিন ১০২ রানেই বাংলাদেশের ৮ উইকেট তুলে নেয়। সেখান থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও এবাদত হোসেনের লড়াইয়ে ৮ উইকেটে ১৩৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। যদিও স্বাগতিকদের ফলো-অনে পড়ার শঙ্কা এখনো কাটেনি।
প্রথম দিন প্রথম ৯০ ওভারের লড়াইশেষে ৬ উইকেটে ২৭৮ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। গতকাল বাকি ৪ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে আরো ১২৬ রান যোগ করে স্কোরটা সংহত করে অতিথিরা। এর মূল কৃতিত্ব স্পিনিং অলরাউন্ডার রবিচন্দ্র অশ্বিন ও আরেক স্পিনার কুলদীপ যাদবের। এ দুজন ২০০ বল খেলে ৮৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে চারশ এনে দেন।
এরপর মোহাম্মদ সিরাজের (৩/১৪) গতি ও কুলদীপের (৪/৩৩) ঘূর্ণিতে বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল হোসেন শান্তকে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান সিরাজ। সেই শুরু। এরপর নিয়মিত আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত ছিল স্বাগতিক দলের ব্যাটাররা। চতুর্থ ওভারে ইয়াসির আলীকে বোল্ড করেন পেসার উমেশ যাদব। গত এক বছরে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটার লিটন দাসকেও বোল্ড করেন সিরাজ। ১৮তম ওভারে সিরাজের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন অভিষিক্ত জাকির হাসান (৫৬/৪)।
দুই পেসারের গোলায় টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে যাওয়ার পর মিডল অর্ডার মুড়িয়ে দেন বামহাতি রিস্ট স্পিনার কুলদীপ। ২৭ রানের ব্যবধানে তিনি সাজঘরে পাঠান সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, নুরুল হাসান ও তাইজুল ইসলামকে। এরপর নবম উইকেটে ৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে টানেন মিরাজ ও এবাদত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত প্রথম ইনিংস: ৪০৪ (পুজারা ৯০, শ্রেয়াস ৮৬, অশ্বিন ৫৮, কুলদীপ ৪০; মিরাজ ৪/১১২, তাইজুল ৪/১৩৩)। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১৩৩/৮ (মুশফিক ২৮, লিটন ২৪, মিরাজ ১৬*, এবাদত ১৩*; কুলদীপ ৪/৩৩, সিরাজ ৩/১৪)।—দ্বিতীয় দিন শেষে










