ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে তিন হাফসেঞ্চুরির পরও ৪৮.৫ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান ৭৫, মুশফিকুর রহিম ৭০ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৩ রান করেন। রান তাড়া করতে নেমে ইংলিশরা পাঁচ ওভারে তুলে নেয় বিনা উইকেটে ৩৪ রান।

 

চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে হতাশ করেন লিটন দাস। দ্বিতীয় ওয়ানডের মতো সেই পেস বোলার স্যাম কারানের বলেই ডাক মেরে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। দুই ম্যাচেই খালি হাতে ফিরেছেন তিনি। কারানের অফ স্টাম্পের বাইরের বল খোঁচা মারতে গেলে গ্লাভসবন্দি হন জস বাটলারের।

 

লিটনের পর ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বিদায় নেন তামিম। কারানের বল ঠিকমতো বুঝতে পারেননি দলনায়ক। ফ্লিক করতে গেলে বল দুর্ভাগ্যজনকভাবে এজ হয়ে উঠে যায় বাতাসে। পয়েন্টে তার সহজ ক্যাচ নিতে ভুল করেননি জেমস ভিন্স।

 

এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১২৮ বলে ৯৮ রান যোগ করে স্থিতি আনেন মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৭১ বলে ৫৩)। দলীয় ১১৫ রানের সময় শান্ত রানআউটের শিকার হলে ভাঙে এই জুটি। এরপর চতুর্থ উইকেটে সাকিবকে নিয়ে ৪৯ বলে ৩৮ রান যোগ করার পর আদিল রশিদের ঘূর্ণি বলে বোল্ড হয়ে যান মুশফিক (১৫৩/৪)। রশিদ তার পরের ওভারে বোল্ড করেন মাহমুদউল্লাহকেও।

 

এরপর সাকিবের ব্যাটে ভর করে আড়াইশ ছুঁই ছুঁই স্কোর পায় বাংলাদেশ। সাকিব ৭১ বলে ৭০ রান করেন ৭ বাউন্ডারিতে। এ পথে আফিফ হোসেনকে নিয়ে ৫৪ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়েন সাকিব।

 

বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন। পেসার তাসকিন আহমেদকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। তার জায়গায় একাদশে এসেছেন পেসার এবাদত হোসেন। ইংল্যান্ড দলে তিনটি পরিবর্তন। অভিষেক হয়েছে লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার রেহান আহমেদের। তাছাড়া ফিরেছেন জোফরা আর্চার ও ক্রিস ওকস।

 

সিরিজে ২-০তে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড।