পোর্ট এলিজাবেথের জেন্ট জর্জেস পার্কে
দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৫৩ রান করে অলআউট হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কোনো
সেঞ্চুরি ছাড়াই দলগত প্রচেষ্টায় সাড়ে চারশ পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। স্বাগতিকরা আর
৭২ রান করলেই টেস্টে সেঞ্চুরিবিহীন সর্বোচ্চ স্কোর হয়ে যেতো!
জবাব দিতে নেমে ৩ রানের মাথায় ওপেনার
মাহমুদুল হাসান জয়কে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ডুয়ান অলিভিয়ারের বলে সারেল আরউইকে ক্যাচ
দেন তিনি। এ প্রতিবেদন লেখার সময় অতিথিদের সংগ্রহ ছিল ২৯/১। তামিম ২০ ও নাজমুল
হোসেন শান্ত ৯ রানে ব্যাট করছিলেন।
প্রথম টেস্টের একাদশে জায়গা না পাওয়া তাইজুল
ইসলাম আজ ৬ উইকেট নিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ আরেকবার দিলেন। এছাড়া খালেদ আহমেদ
নিয়েছেন তিনটি উইকেট, মেহেদী
হাসান মিরাজের শিকার একটি। যদিও তাইজুলের অনবদ্য প্রচেষ্টার পরও প্রোটিয়াদের
সংগ্রহটা অল্পতে আটকে রাখা যায়নি। রাখতে দেননি কেশব মহারাজ। ৫ উইকেটে ২৭৮ রান নিয়ে
আজ সকালে ব্যাটিংয়ে নামা প্রোটিয়াদের সংগ্রহটা সাড়ে চারশ পার করাতে সবচেয়ে বড়
ভূমিকা রাখেন তিনি। ক্যারিয়ারসেরা ৮৪ রান করেন তিনি মাত্র ৯৫ বলের মোকাবেলায়।
খালেদ আজ সকালে দ্রুতই কাইল ভেরেইনকে আউট
করলেও তাতে দমে যায়নি প্রোটিয়ারা। বরং কেশব মহারাজ এসে লণ্ডভণ্ড করেন টাইগার বোলিং
আক্রমণকে। উইয়ান মুলডারকে নিয়ে ১০০ বলে ৮০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে বাংলাদেশকে হতাশ
করেন। আট নম্বরে নামা মহারাজই ছিলেন বেশি আক্রমণাত্বক। তিনি ঠিক ৫০ বলে তুলে নেন
ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি।
৭৭ বলে ৩৩ রান করে তাইজুলের শিকার হয়ে ফেরেন
মুলডার। এরপর সাইমন হারমারের সঙ্গে নতুন করে জুটি বেধেছেন মহারাজ। এ জুটি বোর্ডে
যোগ করে ৩৮ রান।
তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন
মহারাজ। এরপর নবম উইকেটে হারমার ও লিজাড উইলিয়ামস ৩৫ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ
সাড়ে চারশ পার করান।










