পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ওঠার রাস্তা অনেকটা সহজ করে রেখেছে ভারত। আজ হংকংয়ের বিপক্ষে জয় পেলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই পরের রাউন্ডে চলে যাবে রোহিত-কোহলিরা। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও হংকং।

দুই দলের শক্তি সামর্থ্যের পার্থক্য দৃশ্যমান। ভারত টি২০ র‌্যাংকিংয়ের ১ নম্বর দল, অন্যদিকে হংকংয়ের অবস্থান ২০ নম্বরে। ২০১৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে ঘরের মাঠে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল হংকং। কুড়ি ওভারের সংস্করণে যা তাদের এখন পর্যন্ত সেরা অর্জন। 

তবে দলটি ২০১৮ সালের এশিয়া কাপে ভারতকেও কাঁপিয়ে দিয়েছিল। ভারতের ২৮৫ রানের জবাবে ২৬০ রান করেছিল তারা। একটা পর্যায়ে দুই ওপেনার নিজাকাত খান ও আনশুমান রাঠের ব্যাটে ভর করে বিনা উইকেটে ১৭৪ করেছিল হংকং। কিন্তু অভিজ্ঞ ব্যাটার না থাকার কারণে ম্যাচটা তারা ২৬ রানে হেরে যায়।

সেই ম্যাচ প্রসঙ্গে হংকংয়ের অধিনায়ক নিজাকাত বলেছেন, এবার আর একই ভুল করতে চান না তারা। ছোট ও বড় দলের মাঝে ব্যবধান মানেই হচ্ছে সুযোগ। ফলে সবাইকে দেখানোর এটাই মোক্ষম সময় যে, আমরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি।

দলটির প্রধান ক্রিকেটার হলেন অলরাউন্ডার নিজাকাত খান। বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুর, কুয়েত ও আরব আমিরাতকে হারিয়ে অপরাজিত দল হিসাবে টি২০ এশিয়া কাপের মূলপর্বে জায়গা করে তারা। নিজাকাত ছাড়াও দলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন দুই টপ অর্ডার ইয়াসিম মুর্তাজা ও বাবর হায়াত।

২০০৮ সালে এশিয়া কাপে আরো একবার মুখোমুখি হয়েছিল দল দুটি। সেই ম্যাচটি ২৫৬ রানে জিতে নেয় ভারত। এবারের এশিয়া কাপে ফেভারিট হিসাবেই খেলছে টিম ইন্ডিয়া। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে এর প্রমাণও দিয়েছে। রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার ও হার্ডিক পান্ডিয়াকে নিয়ে সেরা ব্যাটিং লাইনআপ ভারতের। বোলিংয়ে আছেন চাহাল, ভুবেনশ্বর ও জাদেজরা।

তবে এসব নিয়ে ভাবছেন না হংকংয়ের অধিনায়ক নিজাকাত। তিনি বলেছেন, জয়-পরাজয় ম্যাচেরই অংশ। আমরা শুধু ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই, এটাই মুখ্য । ভারত-পাকিস্তানের মুখোমুখি হতে পারা আমাদের জন্য বড় সুযোগ।